পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন রবিবার (১৩ আগস্ট) সফররত মার্কিন কংগ্রেসম্যান এড কেস ও রিচার্ড ম্যাককরমিককে জানিয়েছেন, বিএনপির সরকার পতনের দাবির সঙ্গে সমঝোতা করার কোনো সুযোগ নেই।
কংগ্রেস
মার্কিন কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসেছেন। ফলে আজ রোববার (১৩ আগস্ট) থেকে তাদের সফরের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।
আজ শনিবার চার দিনের সফরে বাংলাদেশ আসছেন দুই মার্কিন কংগ্রেসম্যান। তারা হলেন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের জর্জিয়ার কংগ্রেসম্যান রিক ম্যাক্রোরমিক ও হাওয়াইয়ের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান এড কেইস। তাদের সাথে থাকবেন সহায়তাকারী কর্মকর্তারাও।
রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে বাংলাদেশে মার্কিন কর্মকর্তাদের একের পর এক সফরের মধ্যেই এবার আসছেন দেশটির দুই কংগ্রেসম্যান। বাইডেন প্রশাসনই তাদের পাঠাচ্ছে।
বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের সহিংসতায় উদ্বেগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ জন কংগ্রেসম্যান।
তাদের মতে, বাংলাদেশের বিষয়ে ১২ কংগ্রেস সদস্যের আকস্মিক ও তীব্র আগ্রহ বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলেছে যে তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে ছয় কংগ্রেসম্যানের পাঠানো চিঠির ব্যাপারে অবগত নন।তবে উল্লেখ করেছে যে সাধারণত এসব চিঠির উত্তর গোপনীয়ভাবে দেয়া হয়।
বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ‘নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু এবং পক্ষপাতহীন অনুষ্ঠানের জন্য ভূমিকা রাখতে’ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছে সোমবার চিঠি পাঠিয়েছেন ছয় এমপি।
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্রের ছয় কংগ্রেসম্যান শেখ হাসিনা সরকারের কড়া সমালোচনা করে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে লেখা চিঠিকে দুর্বল ও সস্তা বলে আখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম।