কারফিউতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সংবিধান ও দেশের প্রচলিত আইনের আলোকে তার প্রতিশ্রুত দায়িত্ব পালন করবে। রোববার (৪ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
কারফিউ
চলমান এক দফা আন্দোলনে সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি করেছে সরকার।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতা ও চলমান পরিস্থিতিতে রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করা হয়েছে। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শরীফ মাহমুদ অপু।
ঢাকাসহ চার জেলায় কারফিউ শিথিলের সময় ১৫ ঘণ্টা করা হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলাচলে বিধিনিষেধ থাকবে না।রোববার (৪ আগস্ট) থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি অনুযায়ী কারফিউ শিথিল থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
শনিবারও কারফিউ থাকছে ঢাকায়। তবে এদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে। তবে এই সময়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি সব অফিস স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী তাদের কাজ চলমান রাখতে পারবে। তবে শনিবার ছুটির দিন থাকায় বেশির ভাগ অফিসই তাদের নিয়ম অনুযায়ী বন্ধ রয়েছে।
দেশের পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসায় কারফিউ শিথিলের সময় আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার (৩১ জুলাই) থেকে আগামী চার দিন কারফিউ শিথিল থাকবে ১৩ ঘণ্টা। ঢাকাসহ চার জেলায় সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সন্ধ্যা আইন শিথিল থাকবে।
রাজধানীতে কারফিউ সংক্রান্ত এক গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
চট্টগ্রামে আজ বুধবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ১৬ ঘণ্টা কারফিউ শিথিল থাকবে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের জনসংযোগ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মো. তারিক আজিজ এ তথ্য জানান।
আগামী বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল থাকবে।মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
খুলনায় জারি করা কারফিউ ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টা থেকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে কারফিউ।