কলার থোড় হলো কলা গাছের ভোজ্য, তন্তুযুক্ত মূল, যা বাঙালি খাবারে বেশ জনপ্রিয়।
খাওয়া
বাজারে সারা বছরই পাওয়া যায় টমেটো। অথচ তা রান্নায় যতটা ব্যবহার করা হয়, কাঁচা ততটা খাওয়া হয় না।
শুধু গরমকাল নয়, শীতকালেও টক দই খাওয়া যেতে পারে। তবে ঠাণ্ডা লাগার ধাত থাকলে, কখনোই সরাসরি ফ্রিজের দই খাবেন না।
ফলমূলকে সবচেয়ে পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা প্রায় সব ঋতুতেই খাওয়া যেতে পারে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আসা অতিথিদের জন্য রান্না হচ্ছে বিরিয়ানি।দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের সাতটি কেটারিং প্রতিষ্ঠানকে শাহি বিরিয়ানি রান্নার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী জানান, অতিথিদের জন্য প্রায় ৪০ হাজার প্যাকেট বিরিয়ানি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য আরও ২০ হাজার প্যাকেট খাবার তৈরি করা হচ্ছে।
খাওয়া ও গোসল—দুটি কাজই মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। শ্বাস-প্রশ্বাস ও ঘুমের মতোই এগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
শীতের মৌসুমে বাজারে সহজেই মিলছে শালগম। সাদা-বেগুনি রঙের সবজিটি শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
শীতে অনেকেরই সর্দি-কাশির সমস্যা বেড়ে যায়। এ সমস্যা কমাতে নিয়মিত লবঙ্গ চা খেতে পারেন। পুষ্টিবিদরাও শীতের সময়ে লবঙ্গ চা খাওয়ার পরামর্শ দেন।
শীতকালে বাজার ভরে ওঠে নানা রকম শাক-সবজিতে। এদের মধ্যে অতি পরিচিত ও পুষ্টিগুণে ভরপুর লাল শাক।
রাতে এক কাপ উষ্ণ আদা পানি হলো সেই সহজ প্রতিকারের মধ্যে একটি যা আমাদের রান্নাঘরে নীরবে থাকে কিন্তু খুব কমই তার প্রাপ্য কৃতিত্ব পায়।