ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
গাজা
ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত গাজার অংশে প্রবেশ করায় ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনারা। শুক্রবার ইসরায়েলি সেনারা দক্ষিণ গাজায় তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ অতিক্রম করায় তাকে গুলি করে হত্যা করেছে।
এই ‘ইয়েলো লাইন’ বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকা গাজা উপত্যকার ৫০ শতাংশেরও বেশি এলাকা চিহ্নিত করে।
গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস এই প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফের) সঙ্গে যুদ্ধে গোষ্ঠীটির সামরিক শাখা ইজেদিন আল-কাসাম ব্রিগ্রেডের প্রধান মোহাম্মদ সিনওয়ার, মুখপাত্র আবু ওবেইদাসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে একজন ফিলিস্তিনি নিহত ও এক শিশুসহ কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন।
গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকলেও নানা কারণ দেখিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এ অবস্থায় চুক্তি রক্ষায় পক্ষগুলোকে নিজেদের অঙ্গীকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে কাতার, মিসর, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ভয়াবহতা এখনও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার হচ্ছে সারি সারি লাশ।
দুই বছর পর গাজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাসে ফিরে এসেছেন।
গাজা সিটির তুফাহ এলাকায় একটি স্কুলভিত্তিক আশ্রয়কেন্দ্রে ইসরাইলি গোলাবর্ষণে পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার সিভিল ডিফেন্স।
গাজা উপত্যকায় সাময়িকভাবে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি কমলেও পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত নাজুক বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
গাজা উপত্যকা থেকে আটক ১২ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে ইসরায়েলি হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ফিলিস্তিনি বন্দি বিষয়ক মিডিয়া অফিস।