গ্যাসের দাম বৃদ্ধির গণশুনানিতে তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। শুনানি চলাকালে এ কার্যক্রমকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে হট্টগোল করেন এতে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা।
গ্যাসের দাম
দিন যত যাচ্ছে, ততই যেন চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি এসে হাজির হচ্ছে দেশের শিল্পোদ্যোক্তাদের সামনে। এমনিতেই ডলার সংকট, আমদানি কড়াকড়ি, উচ্চ সুদহার, ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, একের পর এক হামলা-মামলার ভয়ে বাজারে বিনিয়োগ থেকে পিছটান দিচ্ছেন বহু ব্যবসায়ী; তারওপর এবার নতুন করে শিল্পক্ষেত্রে গ্যাসের দাম নতুন করে ১৫২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) দাম কমানো হয়েছে। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৪৫৬ টাকা থেকে এক টাকা কমিয়ে এক হাজার ৪৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম ঘোষণা করা হবে আজ (২ সেপ্টেম্বর)।রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চলতি আগস্ট মাসে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানো হয়েছে। রোববার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিটে ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে (আইপিপি ও রেন্টাল) প্রতি ইউনিট গ্যাসের নতুন দাম ১৫ টাকা ৫০ পয়সা।
এবার জাতীয় নির্বাচনের আগে গ্যাসের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এ খবর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঢোল পিটিয়ে প্রচার করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. সুভাষ সরকার।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সরকার এখন আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম নির্ধারণের দিকে এগোচ্ছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তবে পরিবহন খাতে এবং আবাসিক ভোক্তাদের গ্যাসের দাম এ যাত্রায় বাড়ানো হয়নি।
শিল্পখাতে আরো এক দফা প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।