দেশের সমন্বয়কৃত মোট জনসংখ্যা হলো ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন। সমন্বয়কৃত মোট জনসংখ্যার ৬৮.৩৪ শতাংশ পল্লিতে এবং ৩১.৬৬ শতাংশ শহরে বাস করে।
জনসংখ্যা
দেশের মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৭ লাখের বেশি। তবে প্রাথমিক প্রতিবেদনে ছিল ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। যাচাই-বাছাইয়ে জনসংখ্যা বেড়েছে ৪৫ লাখ ৪১ হাজার ৮৬২ জন।
বর্তমানে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে জনসংখ্যা কমছে বলে জানা যাচ্ছে। জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিকভাবে জনসংখ্যা কমে যাওয়ার এই প্রবণতা কোন ধরনের হুমকি না হলেও, এটি বিশ্বের জন্য অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে।
চীনে ৬০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো জনসংখ্যা কমেছে। সরকারি ডাটা থেকে এমনটাই জানা গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশটির জন্য এটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এখন দীর্ঘ সময় দেশটির জনসংখ্যা কমবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার কোথাও জন্ম নেয়া একটি শিশু হবে বিশ্বের আট শ’ কোটিতম ব্যক্তি। জন্মহারের প্রবণতার ওপর ভিত্তি করে জাতিসঙ্ঘের একটি অনুমিত হিসাবে এ কথা বলা হয়।
পৃথিবীতে ৮০০ কোটি জনসংখ্যা হতে আর বেশি বাকি নেই। নভেম্বর মাসেই বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটি হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘ।
চলতি বছরের বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) পরিচালিত জনশুমারি ও গৃহগণনার ফলাফল অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬। যা ১০ বছর আগে অর্থাৎ ২০১১ সালে ছিল ১৪ কোটি ৪০ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯৭ জন। অর্থাৎ গত ১০ বছরে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২ কোটি ১১ লাখ ১৪ হাজার ৯১৯ জন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সপ্তাহব্যাপী ষষ্ঠ জনসংখ্যা ও গৃহশুমারি উদ্বোধন করেছেন। শুমারি ত্রুটিমুক্ত ও সফল করতে দেশে এই প্রথমবারের মতো গণনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে।
রাশিয়ার জনসংখ্যা গত এক বছরে ১০ লাখেরও বেশি কমেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে জনসংখ্যা এভাবে কমেনি দেশটিতে।
বেশ কয়েক শ' বছর পর কমতে চলেছে বিশ্বের জনসংখ্যা। তবে তা স্থায়ী হবে হাতে গোনা কয়েক দশকের জন্যই। আন্তর্জাতিক জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।