স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আশংকা প্রকাশ করেছেন, লকডাউনের সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানলে দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
জাহিদ
স্বাস্থ্যবিধি মেলে চললে লকডাউন প্রয়োজন হবে না। তবে কিছু পরামর্শ সরকারকে আমরা দিয়েছি। আমরা নই, লকডাউন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
বাংলাদেশে করোনার ‘নতুন ধরনের’ ১০ রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত করোনার নতুন স্ট্রেইন (ধরন) নিয়ে গবেষণা করছেন এবং এ পর্যন্ত ১০ জনকে পেয়েছেন। তারা ইউরোপ থেকে আগত।’
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত করোনা ভ্যাকসিন প্রদানে এখন পর্যন্ত যথেষ্ট সফলতা দেখিয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিন প্রদানে বিশ্বে বহু দেশ এখনও হিমশিম খাচ্ছে।
চলতি মাসে সিরাম থেকে ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা রয়েছে। তারা দিয়েছে ২০ লাখ। এজন্য বাকি ডোজ পেতে সিরাম ইনস্টিটিউটকে চাপ দেয়া হচ্ছে।
করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রবিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহাখালী শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে করোনা টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধনের শুরুতেই তিনি টিকা নেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, সরকার করোনাভাইরাস পরীক্ষায় অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সেরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন ২৫-২৬ জানুয়ারিতে বাংলাদেশে আসবে।
অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সর্বোচ্চ ৫ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৪২৫ টাকা) খরচে পাওয়া যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন শিগগিরই অনুমোদন দেবে।
করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকায় দেশের অর্থনীতি পরিস্থিতি ভাল রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেক।