জিলকদ মাসকে আরবিতে ‘জিলকদ’ বা ‘জুলকদ’ বলা হয়। জুলকদ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। এক. জু, দুই. কদাহ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের ‘কোনো আস্থা নেই’- আরাঘচি
- * * * *
- মেয়ের মৃত্যুতে বাবা কায়সার হামিদের আবেগঘন বার্তা
- * * * *
- চীন সফর শেষে উপহার পাওয়া ফোন-ফেলে বিমানে ওঠলেন মার্কিন দল
- * * * *
- কুমিল্লায় পৌছালেন প্রধানমন্ত্রী, নেতাকর্মীদের ব্যাপক উচ্ছ্বাস
- * * * *
- কথিত চিত্রনায়িকার বাসা থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার
- * * * *
জিলকদ
হজের মৌসুম শুরু হয় জিলকদ মাসে। এ মাস শেষেই আসবে জিলহজ। হিজরি সনের এই শেষ মাসটি হজের মাস। এ মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত হাজিরা হজ পালনে নিয়োজিত থাকেন। কিরান ও ইফরাদ হজযাত্রীরা মক্কা মুকাররমায় পৌঁছে ইহরাম অবস্থায় হজের অপেক্ষায় থাকেন।
চন্দ্রমাসের ১১তম মাস জিলকদ। আরবি ভাষায় জিলকদ শব্দের অর্থ হলো বসে থাকা। জাহেলি যুগ থেকে মানুষ এই মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ করত না। তাই এটিকে বিশ্রামের মাস বলা হয়।
টানা চারটি ইবাদতের মাস (রজব, শাবান, রমজান ও শাওয়াল) -এর পরে আসে হিজরি ক্যালেন্ডারের এগারোতম মাস জিলকদ। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ হজের তিন মাসের (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) একটি এই মাস।
হিজরি সনের ১১তম মাস জিলকদ। হজের তিন মাসের দ্বিতীয় মাসও এটি। ইসলামে নিষিদ্ধ যে চার মাস রয়েছে তার মধ্যেও একটি এ জিলকদ মাস। ইসলামের ইতিহাসে বিভিন্ন কারণে এ মাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
আরবি ১২ মাসের মধ্যে একাদশ মাসটি হলো জিলকদ। যার আরবি নাম ‘জুল-আল-কাআদাহ’। ফারসিতে বলা হয় ‘জিলকাআদা’, উর্দুতে ‘জিলকাআদ’ বাংলায় ‘জিলকদ’। ‘জুলকাআদাহ’ শব্দের অর্থ হলো বসা, স্থির হওয়া বা বিশ্রাম নেয়া।