কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গেল ২৪ ঘন্টায় আরো ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ জনের করোনা পজেটিভ ও ৩ জনের করোনা উপসর্গ ছিল।
জেনারেল হাসপাতাল
পাবনায় করোনা পরিস্থিতি খুবই খারাপের দিকে। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৪ জন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৩৯ জন।
যশোর প্রতিনিধি : করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪টি হাই ফ্লো নজেল ক্যানোলা দিল আকিজ গ্রুপ।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৪ জন এবং করোনার লক্ষণ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যশোরে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি দিন দিন নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতিদিনই করোনায় দুই-চার জনের মৃত্যু হচ্ছে। হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে শয্যার চেয়ে দ্বিগুণ রোগী ভর্তি হচ্ছে। রোগীর চাপ বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে মাস দুয়েক আগে কোনো ধরণের জনবল কাঠামো ছাড়াই তিন শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ ইউনিট চালু করা হয়েছে। ফলে করোনা সামাল দিতে গিয়ে কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
কয়েকদিন থেকে অসুস্থ বোধ করছিলেন মোঃ আব্দুস সালাম। শুক্রবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল কাম পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সিটি স্ক্যান মেশিনটি এক বছর অচল পড়ে থাকার পর অবশেষে চালু করা হয়েছে। হাসপাতালে ৪৪০ ভোল্টের বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পর রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে মেশিনটি চালু করা হয়। শেষ হলো রোগীদেও ভোগান্তি।
পাবনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতলে কাম পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজন সংখ্যক চিকিৎসক সংকটের কারণে পাবনাবাসী কাঙ্খিতমানের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
আর কতদিন পর পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কাম পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিনটি চালু হবে? উদ্বোধনের এক বছর পরও চালু করা যায়নি মেশিনটি।