দেশের বেশির ভাগ এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। উল্টো বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে গরমের অনুভূতি আরও বাড়িয়েছে। তবে তাপপ্রবাহের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন দেশের ২১ জেলার বাসিন্দারা। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র তুলে ধরেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
- গভীর সাগরে ইঞ্জিন বিকল, ট্রলার থেকে ১০ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করলো কোস্টগার্ড
- * * * *
- ছুটি শেষে যোগদান না করায় ১৬ শিক্ষক চাকরিচ্যুত
- * * * *
- শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা
- * * * *
- হরমুজ প্রণালিতে মাইন সরাতে ইরান একাই যথেষ্ট
- * * * *
- যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ঘরে ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা
- * * * *
ঝুঁকিতে
সুদানে গৃহযুদ্ধের কারণে চারম বিপর্যয়ের মুখোমুখি বেসামরিক নাগরিকরা। খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে মারাত্মকভাবে।
অগ্নি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানীর ৫৮টি মার্কেট, সুপার মার্কেট ও শপিংমল। এর মধ্যে কয়েকটি মার্কেট উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।
২০২২ সালে ফায়ার সার্ভিস ঢাকার এক হাজার ১৬২টি ভবন পরিদর্শন করে। এরমধ্যে ৬৩৫টি ভবনকে আগুনের ঝুঁকিতে থাকা চিহ্নিত করে নোটিশ দেয়। তারমধ্যে আবার ১৩৬টি আবার অতি ঝুঁকিপূর্ণ। মোট ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ৬৩৪টি। শতকরা হিসাবে ৫৪ দশমকি ৬৭ ভাগ।
বিদ্যুতের ঘাটতি ও সিগন্যাল সিস্টেমে ত্রুটির কারণে শিডিউল বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে পড়েছে মেট্রোরেল। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শিডিউল অনুযায়ী মেট্রোরেল পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ডেঙ্গুর সংক্রমণে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ২০২৩ সাল। শীতকালে সাধারণত ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমলেও এবার ডিসেম্বর শেষেও তেমন আলামত দেখা যায়নি। ডেঙ্গুতে এখনো সারাদেশে প্রতিদিন মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।
ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত সমস্যা, যেখানে রক্তের শর্করা বা গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। আমাদের দেহের অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা বিপাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহের শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
নিম্নমানের ওয়েবসাইট তৈরিসহ নানা কারণে ঝুঁকিতে রয়েছে সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া সাইবার নিরাপত্তা দুর্বল হওয়ার পেছনে রয়েছে, নিয়মিত ওয়েবসাইট মনিটরিং না করা, পাসওয়ার্ড আদান প্রদান ও সাইবার অডিট না হওয়া। এসব দুর্বলতার কারণে প্রায়ই তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটছে।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পানগুছি নদীর ভাঙন দিনদিন বেড়ে চলছে। নদীর দুই পাড়ে পৌরসভা বিস্তৃত থাকায় পৌরসভার ৬টি ওয়ার্ডের কমপক্ষে ২০০০ পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছেন। এর মধ্যে ১ নং ওয়ার্ডের ফেরিঘাট সংলগ্ন বারইখালী এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সংখ্যা প্রায় ৬০০। জোয়ারের সময় এসব পরিবারের সদস্যরা রান্না, খাওয়া ভুলে যুদ্ধ করেন পানির সাথে।
ঢাকাসহ সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন শত শত ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হচ্ছে। এর ফলে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের প্রচণ্ড চাপ বাড়ছে। এতে শয্যা সংকটে অনেকেই চিকিৎসা নিতে এসে ফেরত যাচ্ছেন।