করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়ানোর পর কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মান সরকার।
ডাউন
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় স্বল্পমেয়াদী জাতীয় লকডাউনে ফিরে যাওয়া নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন জো বাইডেন। দেশটির ইতিহাসে অন্য কোনো নতুন প্রেসিডেন্ট এ ধরনের কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হননি।
গত কয়েক মাসে বিশেষ চাপ অনুভব না করলেও জার্মানিতে করোনা মহামারি এবার জাঁকিয়ে বসছে৷ বেড়ে চলা সংক্রমণের হার মোকাবিলা করতে সোমবার থেকে সে দেশে এক মাসের জন্য আরো কড়া বিধিনিয়ম চালু করা হচ্ছে৷
প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বৃটেনের সায়েন্টিফিক এডভাইজরি গ্রুপ ফর ইমার্জেন্সির (এসএজিই) বিশেষজ্ঞরা। সামনেই বড়দিন এবং শীত।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে দ্বিতীয় দফায় লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
করোনা মহামারি সামলাতে আয়ারল্যান্ড ও ওয়েলসে নতুন করে লকডাউন কার্যকর করা হচ্ছে৷ ইউরোপের বাকি দেশগুলির অবস্থাও ভাল নয়৷ জার্মানির একটি জেলাও লকডাউনের কোপে পড়ছে৷
অর্থনীতি সচল রাখতে ফের লকডাউনের কথা ভাবছে না সরকার বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মার্চ মাসে ফ্রান্স ছিল করোনার মৃত্যুপুরী। এপ্রিলের শুরু থেকে করোনা হামলা কমতে থাকে। শুক্রবার নতুন করে ৭ হাজার ৩৭৯ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। এর জেরে ফের লকডাউন শুরু করতে চলেছে ফ্রান্স সরকার।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় সব দেশেই মৃত্যু দেখা গেলেও এ মিছিলে সুরক্ষিত ছিল ভুটান। মৃত্যুহীন এ দেশে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে ৫ দিনের লকডাউন।
পুরান ঢাকার ওয়ারী ২১ দিনের জন্য লকডাউন করা হয়েছে।