গত কয়েক দিন তাপমাত্রার পারদ কমতে শুরু করে উত্তরাঞ্চলে। ফলে উত্তরের জেলাগুলোতে জেঁকে বসেছে শীত।
তাপমাত্র
মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ৮ ডিগ্রিতে। ভোরে ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে চারপাশ। উত্তরের হিমেল হাওয়া কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা।
উত্তরের জেলা পঞ্চগড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে। ঘন কুয়াশার সঙ্গে কনকনে শীতে কাবু পুরো জনপদ। তীব্র শীতে স্থবিরতা নেমে এসেছে জনজীবনে। তীব্র শীত আর কনকনে হিমশীতল ঠান্ডায় তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রিতে নেমেছে গেছে।
ঘন কুয়াশা আর শীতের তীব্রতায় দুর্ভোগে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষ। এ জেলায় রাতে প্রচণ্ড ঠান্ডার সঙ্গে পড়ে ঘন কুয়াশা।
মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ৯ ডিগ্রিতে। সকাল ৮টার দিকে সূর্য উকি দিলেও তা উত্তাপ ছড়াচ্ছে না।
আগামী জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা কমে ৩ ডিগ্রিতে নামার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ।
গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিস এ তাপমাত্রা রেকর্ড করে।
গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায়। হিমেল বাতাসের দাপটে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। হাড় কাঁপানো শীত ও হালকা কুয়াশার সঙ্গে হিমশীতল বাতাসে মানুষের জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুররা।
শেষরাত থেকে সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা এবং দেশের উত্তর-উত্তর পূর্বাংশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা দেখা যাচ্ছে।
শীতে কাহিল কুড়িগ্রামের মানুষ। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীতের দাপটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে।বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।