নিজস্ব কারখানায় তৈরি সাশ্রয়ী মূল্যের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিপণ্য বাজারে এনে একের পর এক চমক দিচ্ছে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি নতুন মডেলের আরেকটি ট্যাবলেট পিসি বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন।
দেশের
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত ৬০০ দিনে দেশের বাইরে সফরে বের হননি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তিনি বিদেশ সফরে বের না হওয়ার জেরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে চীনের সম্পর্কের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধ হিসেবে দেশে এ পর্যন্ত ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭৭ হাজার ৭৬১ ডোজ করোনা (কোভিড-১৯) টিকার ডোজ প্রয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ২ কোটি ৯ লাখ ২২ হাজার ৭১৫ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৪৬ জন মানুষ।
জাতিসংঘের এলডিসি সভা শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। শুক্রবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তিনি।
করোনাভাইরাসের প্রতিরোধ হিসেবে দেশে এ পর্যন্ত ২ কোটি ৬৫ লাখ ৩৫ হাজার ২১১ ডোজ করোনা করোনা (কোভিড-১৯) টিকার প্রয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার ৭৪২ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৮০ লাখ ৪৫ হাজার ৪৬৯ জন মানুষ।
করোনাভাইরাসারে প্রতিকার হিসেবে দেশে এ পর্যন্ত ২ কোটি ৪২ লাখ ১৮ হাজার ৭৯৬ ডোজ করোনা করোনা (কোভিড-১৯) টিকার প্রয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৭২ লাখ ৪২ হাজার ৪৭৯ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৬৯ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৭ জন মানুষ।
আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৭ থেকে ৮ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
করোনাভাইরাসের প্রতিকার হিসেবে দেশে এ পর্যন্ত ২ কোটি ২৪ লাখ ১৩ হাজার ৭৯ ডোজ করোনা (কোভিড-১৯) টিকার প্রয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৬৬ লাখ ৬১ হাজার ৪১২ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭৩ জন মানুষ।
করোনাভাইরাসের প্রতিকার হিসেবে দেশে এ পর্যন্ত ২ কোটি ২৪ লাখ ১৩ হাজার ৭৯ ডোজ টিকার প্রয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৬১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৭৭ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৪০২ জন মানুষ।
দেশে এ পর্যন্ত ২ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার ৭৪৩ ডোজ করোনা টিকার প্রয়োগ হয়েছে। দেশের ১ কোটি ৯৬ লাখ ৭১ হাজার ৬২০ জন মানুষ করোনা (কোভিড-১৯) টিকার আওতায় এসেছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৫৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৩ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৫৬ লাখ ৯৪ হাজার ২৮০ জন মানুষ।