দোয়ার শক্তি ও সুফল অপ্রতিরোধ্য। হজের সফরের পবিত্র স্থানগুলো যেন দোয়া কবুলের খোলা জানালা।
- বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের
- * * * *
- শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
- * * * *
- সৌদি থেকে সিলেট ফ্লাইট চালুর আহ্বান প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর
- * * * *
- বজ্রপাত প্রতিরোধে উদ্যোগ জোরদার করছে সরকার
- * * * *
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয় কোন জেলায়, কেন?
- * * * *
দোয়া কবুল
বান্দার দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দিতে পছন্দ করেন না। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।’ (সুরা মুমিন: ৬০) রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘নিশ্চয় তোমাদের মহান প্রভু চিরঞ্জীব ও অতি দয়ালু।
ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন জুমার দিন। এই দিনে এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত রয়েছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায় তা পেয়ে যায়।
দোয়া কখনো বিফলে যায় না। তাই দোয়ার ফল পেতে দেরি হলে হতাশ হওয়া অনুচিত।
হাদিস শরিফে আজান ও ইকামতের মধ্যে দোয়া করার প্রতি তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ সময় দোয়া করলে তা কবুল হয়। রাসুল (সা.) বলেন, আজান ও ইকামতের মাঝে দোয়া প্রত্যাখ্যাত হয় না। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫৩৪)
মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি দয়াশীল। রমজানে এই দয়ার পরিমাণ আরো বেশি বৃদ্ধি পায়। তিনি প্রতিটি আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করেন, বান্দার দোয়া কবুল করেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। বিশেষত রমজানের এসব কল্যাণ লাভে বিশেষ তিনটি সময়ের কথা হাদিসে এসেছে।
মহান আল্লাহর কাছে জুমাবারের বিশেষ মর্যাদা আছে। কোরআন ও হাদিসে এই দিনের বিশেষ সম্মান ও মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। শেষ নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মতের জন্য এই দিনটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ।
এ ব্যক্তি দূর-দূরান্তের সফর করছে, তার মাথার চুল এলোমেলো, শরীর ধূলাবালুতে মাখা। এ অবস্থায় ঐ ব্যক্তি দু’ হাত আকাশের দিকে উঠিয়ে কাতর কণ্ঠে বলে ডাকছে, হে রব্! হে রব্! কিন্তু তার খাবার হারাম, পানীয় হারাম, পরনের পোশাক হারাম।