বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার তজুমুদ্দিন পয়েন্টে সুমরা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার (২.২২ মিটার) ৩৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
নদী
বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সোমবার তজুমুদ্দিন পয়েন্টে সুমরা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার (২.২২ মিটার) ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
দেশের নয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫-৬০ কি. মি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। রোবাবার শুধু দুধকুমার নদের পানি বাদে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ সবক'টি নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়ছে নদ-নদীর পানি। ফলে সারাদেশে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সঙ্গে তীব্র হচ্ছে নদী ভাঙন। ইতিমধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চেলর জেলা নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জে বন্যা দেখা দিয়েছে।
কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে কুড়িগ্রামের সব নদ–নদীর পানি পানি। দুইদিন থেকে দুধকুমার ও ধরলা নদীর পানি বইছে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে।
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধায় সবগুলো নদ-নদীর পানি বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার,
অবিরাম বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সবগুলো নদ-নদীর পানি আবারো বাড়তে শুরু করেছে। গত দুদিন ধরে নদীর পানি বাড়লেও এখনও দুধকুমার নদ ছাড়া সবগুলো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে নিম্নাঞ্চলসমূহ প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের চরবাগ্যা নদীর ভাঙ্গন রোধে ব্লক নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
দেশের ২০টি অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।