কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে সরকার পতনের কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
- রাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৮ জানুয়ারি, আবেদন ১২ নভেম্বর
- * * * *
- মেয়েদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
- * * * *
- ৭০ হাজার কোটি রুপি দিয়ে জার্মানির সাবমেরিন কিনছে ভারত
- * * * *
- আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
- * * * *
- ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- * * * *
পরিস্থিতি
বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে চলমান সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় ও সামাজিক শৃঙ্খলা ফিরে আসায় বন্ধু ও ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে আনন্দিত চীন।
বাংলাদেশ সকল আন্তর্জাতিক অংশীদারকে আশ্বস্ত করে বলেছে, সরকার ও জনগণের সময়োপযোগী এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে ফিরে আসছে।
বাংলাদেশে কোটা আন্দোলন মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আরাফাত। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, নৈরাজ্যের পর দেশে শান্তি ফেরাতে যা যা করণীয় সরকার তাই করেছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভারতের আসাম রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের তাণ্ডবে একদিনের ব্যবধানে প্লাবিত হয়েছে আরও অন্তত চারটি জেলা।
ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরামের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত রয়েছে। বাঁধ ভাঙা এলাকা থেকে পানি অনেকটা সড়ে গেলেও নতুন নতুন এলাকায় প্লাবিত হয়েছে।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এতে নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে।রোববার (২৩ জুন) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।
কুড়িগ্রামে তিস্তা, দুধকুমার, ব্র্রহ্মপুত্র, ধরলা নদীসহ ১৬ নদীর পানি বেড়েই চলছে। ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে। বন্যার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন।
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। ডুবে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠ। এ পরিস্থিতিতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এতে সাধারণ মানুষজন ছুটছে আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে। জেলার ৫৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ১৮ হাজার ৪২৯ জন বন্যা আক্রান্ত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।