হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছে বন্দরের প্রায় ৮টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। ভারত সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর আমদানির অনুমতি দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের খামারবাড়িতে ইমপোর্ট পারমিটের (আইপি) জন্য আবেদন করার পর তাদের এই অনুমতি দেওয়া হয়।
- সিরিজ সাক্ষাৎকারে হাসিনা, ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’
- * * * *
- অফিসার পদে নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক
- * * * *
- ঢাকা ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, থাকছে না বয়সসীমা
- * * * *
- ‘সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটির প্রশাসক’
- * * * *
- জামায়াত আমিরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- * * * *
পেঁয়াজ আমদানি
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, আমাদের এ পেঁয়াজ আনার মধ্যে অনেক ঝুঁকি ছিল। ফাইনালি আমরা যখন ভারতের অনুমতি পেলাম তখনও অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলাম। কারণ, দেশে পেঁয়াজের দাম কমে যায় কি না। আবার রোজা শেষ হওয়ার আগে আসবে কি না। তারপরও আমারা এ ঝুঁকি নিয়েছি। আমি মনে করি ঝুঁকিটা সাধারণ মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে।
ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ১৩ দিন পর পুরনো এলসির টেন্ডার করা ২৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করেছে। সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে গত তিনদিনে ৪৭০ টন পেঁয়াজ ঢুকেছে।
বাজারে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম সরবরাহ চেইন ও মূল্য স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনে বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানির পরামর্শ দিয়েছেন।
ভারতে দাম বৃদ্ধি ও নতুন করে ডলার সংকটের কারণে ব্যাংকগুলো চাহিদা মতো এলসি (লেটার অফ ক্রেডিট) না দেওয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি কমেছে।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবুও পেঁয়াজের দাম কমেনি খুচরা বাজারে। বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
গত শনিবার থেকে হঠাৎ করেই ভারত সরকার বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন করে ৪০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করে। এরফলে আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। পরে নতুন শুল্ক দেওয়া হলে আমদানি শুরু হয়।
ভারত থেকে প্রতিদিন পেঁয়াজ আমদানি বাড়ছে। গত ১০ দিনে দেশটি থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ৫৯ হাজার টন।
পেঁয়াজ আমদানির অনুমতির ঘোষণায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এই মসলাজাতীয় পণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। গত রবিবার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। এই ঘোষণার পরের দিন গতকাল সোমবার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ, ঢাকার শ্যামবাজারসহ বড় বড় পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। এক দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম কমেছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।
বাজারে অস্বাভাবিকভাবে দাম বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়া হবে। সীমিত আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবসহ সকল ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।