জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করে অনন্য কৃতিত্ব দেখিয়েছে দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
ফলাফল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে প্রশাসনের অসহযোগিতা ও নজিরবিহীন কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২টিতে বিএনপি ও ৩ টিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়লাভ করেছে। পাবনা-২ ও পাবনা-৫ আসনে বিএনপি এবং পাবনা-১, ৩ ও ৪ আসনে জিতেছে জামায়াত।
মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী এম সায়েদ আলী থেকে ১৬ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার এ জয়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩০ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধার করল বিএনপি।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, সর্বোচ্চ ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে এবং ১৭ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার গঠন করা হবে।
ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ভোটের ফলাফল যাই হোক, আমরা তা মেনে নেব। নির্বাচনে জয় বা পরাজয় দুটোই থাকতে পারে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, সর্বোচ্চ ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে এবং ১৭ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার গঠন করা হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব ভোটার কেন্দ্রে উপস্থিত রয়েছেন তারা সবাই ভোট দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হবে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর কেন্দ্রগুলোতে গণনা শুরু হবে।
আজ একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। তবে দুটি ব্যালটে ভোট গ্রহণ এবং পোস্টাল ব্যালটের জটিলতা থাকায় ফলাফল পেতে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা দেরি হতে পারে বলে জানিয়েছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার আগ পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল-৫ (সদর) ও বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।