রাজনৈতিক বাকযুদ্ধের জেরে সম্প্রতি আলোচনায় আসেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ।
- চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে, আশা ট্রাম্পের
- * * * *
- দাপুটে জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে আর্সেনালকে চাপে রাখল ম্যান সিটি
- * * * *
- মোবাইল গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর
- * * * *
- মারা গেলে আমার লাশটা নড়াইলে নিও না, বাবাকে অভিমানী মাশরাফির অনুরোধ
- * * * *
- টানা দুই দিন ৮ ঘণ্টা করে গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- * * * *
ফারহানা
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচনটা যতদূর সম্ভব পেছানো যাক। তারা চাইছে আরেকটু হাতে সময় পেলে হয়তো কিছু আসন বেশি পেতে পারে। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বাহানা নিয়েও হাজির হচ্ছে।
সাম্প্রদায়িকতা থাকলে কোনো দেশ বেশি উন্নতি করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, সুষ্ঠু ভোট হলে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের নেতারা দুই একটা আসনও হয়তো পাবে না। অন্তবর্তীকালীন সরকারের অনেক উপদেষ্টা চান নির্বাচন প্রলম্বিত হোক।
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এ সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে একটি কমন প্লাটফর্মে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। সরকার কিছু দলকে তাদের পোষ্য দল হিসেবে অলিখিতভাবে এক ধরনের স্বীকৃতি দিয়েছে। আর অন্য দলগুলোকে বৈরী অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, "আমি বলেছিলাম- ২০২৪ এর নির্বাচন করো হাসিনা, করতে পারো, কিন্তু এক বছরের বেশি সংসদে টিকবা না।
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দেশের মানুষের উপর অত্যাচার করে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন মুখপাত্র নিযুক্ত হয়েছেন সংস্থাটির পরিচালক ফারহানা ফারুকী।
বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বাসায় হামলার অভিযোগ উঠেছে।
বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফরহানা বলেছেন, আমরা ১৪ বছর বীভৎস সময় পার করেছি। আমরা ভোট দিতে পারিনি। দেশে ২০১৪ সালের মতো আর ভোট হবে না। আগামী ২০২৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট হবে। ইভিএম এ ভোট হবে না। ভোট হবে ব্যালটে।