জীবনযাপনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগের হার। বর্তমানে যে রোগগুলো সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ফ্যাটি লিভার। অনেকে এই সমস্যা সামলাতে খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ করেন।
ফ্যাট
আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের উদ্যোগে কৃষি ইউনিট (প্রাণিসম্পদ খাত) এর আওতায় ‘ব্যয় সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে বিফ ক্যাটল ফ্যাটেনিং’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শীতে বাতাসে দূষণের পরিমাণ বেড়ে যায়। অন্যদিকে এ সময় শ্বাসকষ্টজনিত নানা সমস্যাও বাড়ে। একই সঙ্গে অনেক মানুষের আবার আছে ধূমপানের নেশা।
শরীরে ভালো ও খারাপ দুই ধরনেরই ফ্যাট বা চর্বি থাকে। তবে খারাপ ফ্যাট বেড়ে গেলেই দেখা দেয় স্থূলতা ও নানা ধরনের রোগব্যাধি। অতিরিক্ত মেদ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়।
অস্বাস্থ্যকর এবং বিশৃঙ্ক্ষল জীবনযাপনের কারণে আমাদের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা বেশিরভাগই খাবারের কোনো নির্দিষ্ট সময় কিংবা রুটিন মেনে চলি না, শরীরচর্চার প্রসঙ্গ এলে নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাই। ফলস্বরূপ লিভারে চর্বি জমতে থাকে।
মানবদেহে যকৃত বা লিভারে শতকরা ৫-১০ ভাগের বেশি চর্বি জমা হলে তাকে ফ্যাটিলিভার বলা হয়। এই রোগের লক্ষণ প্রকাশিত না হওয়ায় ঝুঁকি বেশি থাকে।
সাতাশ বছর বয়সী ওয়াহিদা জামান অন্য একটি অসুখের জন্য নিয়মিত পরীক্ষা করাতে গিয়ে জানতে পেরেছেন তার ফ্যাটি লিভার ডিজিজ রয়েছে।
পেটের চর্বি এমন এক ধরনের চর্বি যা বার্ণ করা সবচেয়ে কঠিন। শুধু কম খাওয়া এবং শরীরচর্চা পেটের চর্বি কমাতে যথেষ্ট নয়। পেটের চর্বি কমাতে তিনটি পন্থা সহজেই পেটের ফ্যাট কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তার প্রথমটি হলো, রক্তে ইনসুলিন হরমোন লেভেল কমিয়ে রাখা, দ্বিতীয়টি হলো হাংগার হরমোন ঘ্রেলিন লেভেল কমিয়ে রাখা।
দুর্বল জীবনযাত্রার কারণে লিভারের রোগ এখন একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পূর্বে হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং ‘সি’ এর কারণে বহু মানুষের মধ্যে এই লিভারের সমস্যা দেখা যেত।
ফ্যাট ফ্রিজিং হচ্ছে শরীরের মেদ কমানোর একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি এবং এরই মধ্যে সারা বিশ্বের ক্লিনিক ও স্পা-গুলোতে আনুমানিক ৮০ লক্ষেরও বেশি গ্রহীতাকে এই চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।