গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান ফিলিস্তিনে চলমান ইসরাইলি গণহত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
ফ্লোটিলা
ফিলিস্তিনের গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ নৌযানগুলোর মধ্যে অন্তত একটি ইতোমধ্যে গাজার জলসীমায় প্রবেশ করেছে। তবে সেটিকে ইসরায়েলি বাহিনী আটক করেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা সমুদ্রপথে গাজায় ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার একটি বৈশ্বিক প্রচেষ্টা। এই নৌবহরে রয়েছে ৪০টির বেশি বেসামরিক নৌযান। এই বহরে রয়েছে প্রায় ৪৪টি দেশের ৫০০ মানুষ।
সমুদ্রপথে গাজামুখী ত্রাণ নিয়ে যাওয়া গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সবচেয়ে বড় জাহাজ ‘কনসায়েন্স’ তীব্র ঝড়ো আবহাওয়া এবং বহরের সামনের জাহাজগুলোতে হামলার খবর সত্ত্বেও তাদের বিপজ্জনক যাত্রা অব্যাহত রেখেছে বলে জানান বাংলাদেশ থেকে যোগ দেওয়া আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম।
মানবিক সহায়তা নিয়ে ভূমধ্যসাগর থেকে গাজার দিকে এগিয়ে চলা আন্তর্জাতিক নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নিয়ে এবার কথা বলেছেন খ্যাতিমান ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারি।
অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখী আন্তর্জাতিক নৌ বহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ মিশনের ১৩টি নৌযান জব্দ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
ভূমধ্যসাগরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ ১৩টি নৌযান আটক করেছে ইসরাইল।
ইসরায়েলি বাহিনীকে এড়িয়ে গাজা প্রায় ৩০টি ফ্লোটিলা জাহাজ গাজা উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছেছে। জাহাজগুলো গাজা উপকূল থেকে ৮৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখী নৌবহরে ইসরায়েলি সেনাদের হস্তক্ষেপের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামের ওই নৌবহর থেকে জানানো হয়েছে, সাড়ে ৫ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে ৪৫টিরও বেশি নৌযান দেখা গেছে।
ভূমধ্যসাগরে গাজা অভিমুখী আন্তর্জাতিক নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা এখন ইসরায়েল ঘোষিত তথাকথিত ‘বিপৎসীমায়’ প্রবেশ করেছে।