দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবন মুমিনের জন্য পরীক্ষার হলের মতো। চিরসত্য মৃত্যুর মধ্যদিয়ে প্রত্যেককেই অনন্তকালের জীবনে প্রবেশ করতে হবে। তবে পরকালে সফল হতে অবশ্যই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তবেই আখিরাতে মিলবে কাঙ্ক্ষিত জান্নাত।
বদনজর
সন্তান আল্লাহ তাআলার অমূল্য নেয়ামত। তাই প্রত্যেক বাবা-মা চান, তাদের সন্তান সব ধরনের অকল্যাণ, বিপদ-আপদ ও মানুষের কুদৃষ্টি (বদনজর) থেকে নিরাপদ থাকুক। আমাদের সমাজে অনেকেই এই উদ্দেশ্যে শিশুর কপালে কালো টিপ, গালে কালি বা কপালে কালো দাগ দিয়ে থাকেন।
বদনজর বা কুদৃষ্টি (العين) ইসলামে স্বীকৃত একটি বাস্তব বিষয়। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘বদনজর সত্য। যদি কোনো কিছু তাকদিরকে অতিক্রম করতে পারত, তবে বদনজরই তা করত।’ (আবু দাউদ: ৩৮৭৯; তিরমিজি: ২০৫৯) মানুষের ঈর্ষা বা অতিরিক্ত বিস্ময়ের দৃষ্টির কারণে আল্লাহর ইচ্ছায় কারো ক্ষতি হতে পারে- এ বিষয়ে ইসলাম কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক সুস্পষ্ট আমলের নির্দেশনা দিয়েছে।
মানুষের উপর বিভিন্ন কারণে বদনজর বা কুদৃষ্টি পড়তে পারে। এটি বদনজর শুধু মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে হয় না বরং বদজিন থেকেও হতে পারে।
ইসলামে বদনজর ও রুকাইয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বদনজর হলো মানুষের ঈর্ষাপূর্ণ বা হিংসাত্মক দৃষ্টি, যা অন্যের জীবনে অশান্তি, অসুস্থতা বা ক্ষতির কারণ হতে পারে।
যেসব জিনিস মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু, তার মধ্যে একটি হলো বদনজর। বদনজর সত্যিই মানুষের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নবীজি (সা.) তাঁর উম্মতদের বদনজরের ব্যাপারে সতর্ক করেছেন।
বদনজর সত্য, এর প্রভাব-প্রতিক্রিয়াও সত্য। বদনজর বা কুদৃষ্টির প্রভাবে ব্যক্তি বা জিনিসের অনিষ্ট হয়। ইমাম কুরতুবি (রহ.) লিখেছেন, আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের শীর্ষ আলেমরা এ বিষয়ে একমত যে, বদনজর