ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৮ জনে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ দু’টিতে এই দুর্যোগে নিখোঁজ শত শত মানুষকে উদ্ধারে ধ্বংসাবশেষ সরাতে তৎপরতা চলছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
বন্যা
থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে বন্যায় ১৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আজ শনিবার দেশটির সরকার জানিয়েছে। তাদের অধিকাংশই মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী প্রদেশের বাসিন্দা।
ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। দেশটির দুর্যোগ কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শ্রীলঙ্কায় বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১২৩ জনে দাঁড়িয়েছে।দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র শনিবার এই তথ্য জানিয়েছে।
মৌসুমি ঝড় ও ভারী বর্ষণের জেরে ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধস হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে। এতে এ পর্যন্ত ১৭৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ আছেন অন্তত ৮০ জন।
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপজুড়ে এই সপ্তাহে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
টানা প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে এ সপ্তাহে শ্রীলঙ্কায় কমপক্ষে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে গোটা বিশ্বই চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ বলে আশঙ্কা করছে বিশ্বব্যাংক।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) থেকে চলা টানা বর্ষণে মালয়েশিয়া সেলঙ্গর রাজ্যের বেশকয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়ে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
টানা বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে ভিয়েতনামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।