বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার গোয়ালখালী এলাকায় আগুনে দু’টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার ভোররাতে কৃষক রনজিৎ মণ্ডলের বসতঘরে আগুন লাগে। পরে দ্রুত আগুন পাশের মনিমোহন মণ্ডলের বসতঘরেও ছড়িয়ে পড়ে।
বসতঘর
সিলেটের বিশ্বনাথে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি বসতঘর পুড়ে গেছে। উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর মাঝপাড়া গ্রামে শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
মিরসরাইয়ে চুলার আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১৭ পরিবার। রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মিঠানালা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মলিয়াইশ গ্রামের সওদাগরের বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
রংপুরের নিউ জুম্মাপাড়ার সুইপার কলোনিতে আগুন লেগেছে। বৃহস্পতিবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় আধঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৫টি পরিবারের ঘরসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ রাস্তার পাশে একটি বসতঘরে ঢুকে যায়। এ সময় পিকআপের নিচে চাপা পড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় মা-মেয়ে নিহত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার পূর্ব শহীদনগর এলাকায় বসতঘরের আগুন পুড়ে মা ও দুই সন্তান নিহত হয়েছেন।
ভোলার ওয়েস্টার্ন পাড়া সাগর বেকারি এলাকায় সোমবার রাত ১০টার দিকে আগুন লেগে তুলার গুদামসহ তিন বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ফয়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট প্রায় আড়াই ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে ধোয়ায় আক্রান্ত হয়ে ইব্রাহিম নামে এক যুবকের মৃত্যু। তবে এতে কি পরিমান ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে ১৩টি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া ঘরগুলোর মধ্যে দুটি সেমি পাকা ও এগারোটি টিনশেডের রয়েছে।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ২০টি বসতঘর তছনছ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ সময় বৈদ্যুতিক সংযোগসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ শহরের মানিকপুরে অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন মনিকপুরের আবুল বাশারের ভাড়াটিয়া মনির হোসেনের বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।