ভারতের গোয়ায় নির্বাচনী জনসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আমরা এখানে ভোট ভাগ করতে আসিনি। বিজেপিকে রুখতে এসেছি। বিজেপির বিকল্প হিসেবে আমরা আপনাদের কাছে এসেছি।
বিজেপি
তৃণমূল বনাম বিজেপি-র লড়াইয়ে আবার উত্তাল ভারতের ত্রিপুরা। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাত থেকে, সোমবারও উত্তেজনা ছিল পুরোমাত্রায়। ত্রিপুরায় পুরসভা নির্বাচন আসন্ন। আগরতলায় তাই তৃণমূলের নেতা ও নেত্রীরা নিয়মিত যাচ্ছেন।
গত পহেলা মার্চ এক পাঁচতারা হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেছিলেন টালিগঞ্জের নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছিলেন অভিনেত্রীর হাতে।
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেস ভাঙিয়ে নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে আনছেন মমতা। ক্ষুব্ধ কংগ্রেস জানালো, এতে বিজেপি-র সুবিধা হবে।সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আপাতত একটাই নীতি নিয়ে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস।
ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস আগেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে এর আগে কলকাতার কালীঘাটে গিয়ে মাথা ন্যাড়া করে, গঙ্গায় গোসল সেরে বিজেপি করার প্রায়শ্চিত্ত করেছেন তিনি।
সোমবার রাতে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি করা হয়েছে।দিলীপ ঘোষের সভাপতি থাকার মেয়াদ ছিল ২০২৩ পর্যন্ত। কিন্তু তার সভাপতি পদে থাকার মেয়াদ শেষ হওয়ার এক বছর চার মাস তাকে আগেই সরিয়ে দেয়া হলো।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে তার মেয়াদ ছিল আরো প্রায় এক বছর চার মাস। তার এত আগেই দিলীপ ঘোষের অপসারণ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ভোটে বিপর্যয় দিলীপের পদ হারানোর অন্যতম বড় কারণ বলে দলের অনেকের মত।
বাবুল সুপ্রিয় শনিবার দুপুরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। আর বিকালেই রাজ্য বিজেপি বলল, বাবুল বিশ্বাসঘাতকতার কাজ করেছেন। একই সঙ্গে রাজ্য বিজেপির প্রশ্ন, তিনি আগেই সাংসদ পদ ছেড়ে দলবদল করলেন না কেন?
ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভা সদস্য ডেরেক ও ব্রায়েনের উপস্থিতিতে শনিবার কলকাতার ক্যাম্যাক স্ট্রিটের দলীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি।
অনেক ধোঁয়াশার শেষে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঘোষণা করেছেন ভবানীপুরে মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দলের প্রার্থী আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। অনেক নামের মধ্যে ঠিক এই নামটাই কেন বাছা হল?