এবারও ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় স্টল দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলস। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা ফিতা কেটে ইসলামী ব্যাংকের ৭১ নম্বর স্টল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
ব্যাংকিং
দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা।
রাশিয়ার দুই থেকে আড়াই কোটি মুসলিম জনসংখ্যার কথা মাথায় রেখে দেশটিতে ইসলামী ব্যাংকিং চালু করার একটি আইনে সই করেছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন।
এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকের উচ্চতর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং প্রফেশনাল এক্সামে উত্তীর্ণ হতে হবে। একইসঙ্গে ব্যাংকিং কার্যক্রমে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় এমন কর্মকর্তারা জেনারেল ব্যাংকিং কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বিভাগে পদায়নের ক্ষেত্রেও ব্যাংকিং ডিপ্লোমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ জুলাই) ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ আয়োজিত ব্যাংকিং খাতের সংকট ও এর সমাধান নিয়ে অনলাইন আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বর্তমানে বিশ্বে অর্থনীতির যে গতি সেই গতির সঙ্গে তাল মেলাতে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের বিকল্প নেই। ডিজিটাল বাংলাদেশ চাই, সবার জন্য চাই।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোবাইলে আর্থিক সেবার (এমএফএস) মাধ্যমে এক লাখ ৫৯৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। একই সময়ে গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ১৩৭ জন। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সাত মাসের ব্যবধানে দেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৯৫টি। জানুয়ারি শেষে নিবন্ধিত হিসাব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ১৩৭টি। গত বছরের জুন শেষে যার সংখ্যা ছিলো ১৭ কোটি ৮৬ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪২টি।
বৈশ্বিক মহামারি করোনার সময়ে ‘ক্যাশলেস ইকোনমি’ ধারণাটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। রীতিমতো বাধ্য হয়েই সবাইকে কেনাকাটা থেকে শুরু করে ব্যাংক লেনদেনের সব কাজ অনলাইনে করতে হয়েছে।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা। একইসঙ্গে ভীষণভাবে বেড়েছে সেবাটির জনপ্রিয়তা। এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যসহ গ্রামীণ অর্থনীতি বেশ চাঙা হচ্ছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩ হাজার ৯৬২ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।