পশ্চিম সুন্দরবনের মান্দারবাড়িয়া চরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ফেলে যাওয়া ৭৮ জনকে শ্যামনগর থানায় নেওয়া হচ্ছে।
- সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রীর ‘ঘনিষ্ট সহযোগী’ নুর আলম গ্রেপ্তার
- * * * *
- কাউয়াদিঘী হাওরে ধানবোঝাই নৌকাডুবি, প্রাণ গেল শ্রমিকের
- * * * *
- তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি স্কুলছাত্র সৌরভের
- * * * *
- রাজশাহীতে ড্রাম্প ট্রাকের চাপায় পথচারী নিহতের ঘটনায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর
- * * * *
- ঈদে ‘রিয়া’ মানি ট্রান্সফার থেকে বিকাশে রেমিট্যান্স গ্রহণে ক্যাশব্যাক
- * * * *
ভারতীয়
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু অঞ্চলের আরএস পুরায় পাকিস্তানি গোলার আঘাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) আটজন সদস্য আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতের প্রভাব পড়েছে ভারতের শেয়ার মার্কেটে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেওয়ায় শুক্রবার টানা দ্বিতীয় দিনের জন্য ভারতীয় শেয়ারের দাম কমেছে। এর ফলে দেশটির বাজার মূল্য প্রায় ৮৩ বিলিয়ন ডলার কমে এসেছে। খবর রয়টার্সের।
ভারতের অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আত্তা তারার।
পাকিস্তানের সেনারা জম্মু-কাশ্মিরের শ্রীনগর, পাঞ্জাবের পাঠানকোট এবং রাজস্থানের জয়সলমারের তিনটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (৮ মে) দাবি করে ভারতের সেনাবাহিনী।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ সীমান্ত থেকে অনুপ্রবেশের দায়ে ১৫ জন ভারতীয়কে আটক করেছে বিজিবি।
ভারতের হামলার প্রতিক্রিয়ায় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অব্যাহত গোলাবর্ষণ করেছে পাকিস্তানি সেনারা। এতে এক ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন বলে দেশটির সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ভারত সীমান্ত থেকে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৮২ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি।
জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলা ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা যুদ্ধের রূপ ধারণ করতে চলেছে ইতোমধ্যে। দুই সপ্তাহ ধরে চলা হুমকি-ধমকির পর এবার বাস্তবিকই পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরসহ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে দিয়েছে ভারত। জবাবে পাল্টা হামলা চালানো শুরু করেছে পাকিস্তানও।
সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে ভারতের আলোচিত-সমালোচিত টেলিভিশন চ্যানেল “রিপাবলিক বাংলা”-এর কথা প্রায় সবাই জানেন। বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর থেকেই ভারতীয় গণমাধ্যমটি একের পর এক বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে।