সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) বিরুদ্ধে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলছে।
- এইচআর বিভাগে নিয়োগ দেবে কর্ণফুলী গ্রুপ
- * * * *
- সন্ধ্যা নদীর ভাঙন ঠেকাতে কাউখালীতে ১.৭১ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন
- * * * *
- বাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুইজনের
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংবেদনশীল স্বাস্থ্য চুক্তি প্রত্যাখ্যান করল ঘানা
- * * * *
- ইরান থেকে ফেরার পথেই কিউবা দখল করব: ট্রাম্প
- * * * *
ভারত
কলেজ চত্বরে প্রকাশ্য সমাবেশ নিষিদ্ধ। সন্ধ্যা ৬টার সময়েও সেখানে পুলিশি প্রহরা। কিন্তু প্রতিবাদ কি এভাবে রোখা যায়?
ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরও যারা অমান্য করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে তাদের গণহারে গ্রেফতার করছে দেশটির পুলিশ।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, নরেন্দ্র মোদী সরকারের নীতির কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে ব্যাপক শরণার্থী সঙ্কটের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের (সিএএ) প্রতিবাদ থেকে সরে আসেননি জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউই। প্রতিবাদী সেই মুখগুলোর মধ্যে উজ্জ্বল কয়েক জন ছাত্রী।
বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ভারতের মহারাষ্ট্রে ১২জন বাংলাদেশী গ্রেফতার হয়েছেন।
ভারতের অনেকগুলো শহরে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে এবং সংশোধিত নাগরিক আইনের প্রতিবাদে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ চলছে।
ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত পরিধি বাড়ানোর জন্য সক্রিয় হচ্ছে সাউথ ব্লক তথা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
‘ভারতে মুসলিম গণহত্যার প্রস্তুতি প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘ভারত জোর করে কাউকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে না।’