তুরস্ক ও সিরিয়ায় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
ভূমিকম্প
তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় বড় ধরনের ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর এবার ইন্দোনেশিয়ায় মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্পে চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের ইস্কেন্দেরুন শহরের একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ চালানোর সময় এক পর্যায়ে উপস্থিতদের নীরব থাকার অনুরোধ করেন উদ্ধারকারীরা।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ২০ হাজারও হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে৷উদ্ধারকর্মীদের সংগঠন হোয়াইট হেলমেট জানিয়েছে, সিরিয়ার বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকায় দেড় হাজারের বেশি লাশ উদ্ধার হয়েছে, আহত হয়েছেন আড়াই হাজারের বেশি মানুষ৷
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, দুই দেশে মোট নিহতের সংখ্যা ১৫,৩৮৩ জন। হিমশীতল আবহাওয়ায় এখনো অনেক লোক ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে আছে। উদ্ধারকারীরা উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
যেকোন সময় বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও বাংলাদেশ ভূমিকম্প মোকাবেলায় তেমন কোন প্রস্তুতি নেই বললেই চলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুরস্কের মতো বড় ভূমিকম্প বাংলাদেশে হলে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মঙ্গলবার সর্বশেষ তথ্যে তুরস্কে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫৭৪ জন।
সম্প্রতি তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় সমবেদনা জানাতে বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করবে বাংলাদেশ।বুধবার এ সংক্রান্ত একটি গেজেট জারি করেছে সরকার।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৯০০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন।