মধ্য চীনের হুনান প্রদেশে বন্যার কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে একটি স্থানীয় গেস্টহাউস ধসে গেছে। এ ঘটনায় আজ রবিবার ১১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া অন্তত একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
ভূমিধসে নিহত
ভারী মৌসুমি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে নেপালে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এই ভূমিধসে একই পরিবারের পাঁচ জন মারা গেছেন।
ভারতের উত্তর সিকিমের লাচুং, লাচেন ও চুংথাং এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও প্রবল ভূমিধসে ৬ জন নিহত হয়েছেন। এসব এলাকায় বাংলাদেশিসহ প্রায় দেড় হাজার পর্যটক আটকা পড়েছেন।
ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য রিও গ্রান্ডে ভারী বর্ষণের কারণে ৮০ বছরের ইতিহাসে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বন্যা ও ভূমিধসে কয়েক ডজন বাড়ি ঘর ও রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এই তথ্য জানিয়েছে।
পাকিস্তানের তিন প্রদেশে বৃষ্টিপাতে ভয়াবহ ভূমিধসে ৩৬ জন প্রাণ হারিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, দেশটির গিলগিট-বালতিস্তান, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া
মিয়ানমারে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। ৪০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে।শনিবার (১২ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
চীনে প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ ৮ জন।
জর্জিয়ার একটি রিসোর্ট এলাকায় ভূমিধসে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে আরো ৩৫ জন।
আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে বন্যা ও ভূমিধসে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ জনই আফগানিস্তানের নাগরিক। বাকি ১৩ জন পাকিস্তানের।