রাজধানীতে অন্তত চার দিন ধরে ভ্যাপসা গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২ টার পর রাজধানীর উত্তরা, কুড়িল, বারিধার, গুলশান, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়।
ভ্যাপসা গরম
দুপুর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকা এবং আশপাশের এলাকায় ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা শনিবার থেকে অনেকটা কমতে পারে। ফলে শনিবার থেকে ভ্যাপসা গরম বাড়তে পারে। বিশেষ করে রাজধানীতে আগামী ৩-৪ দিন বৃষ্টি সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পঞ্চগড়ে বর্ষার সকালে দেখা মিলেছে ঘন কুয়াশার। গত ৫০ বছরেও এমন দিনে কুয়াশার দেখা মেলেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বয়োবৃদ্ধরা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন অনেকে।
দেশের বেশির ভাগ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বেলা গড়ানোর পর থেকেই রোদের তাপ বাড়ছে। প্রচণ্ড গরমে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে খেটেখাওয়া মানুষ
রাজধানীতে গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা কম থাকলেও আদ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি জনজীবনে। এ অবস্থায় তিনদিন পর আবারও স্বস্তির বৃষ্টির দেখা মিললো। এতে গত কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরম কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে রাজধানীবাসীর।
তীব্র গরম সবার জন্যই কষ্টকর। তবে শিশু খুব বেশি স্পর্শকাতর বলে অন্য সময়ের তুলনায় এ সময়টা শিশুর জন্য বেশি কষ্টকর। এ জন্যই গরমে শিশুর খাবার-দাবার থেকে শুরু করে পোশাক পরিচ্ছদ সবকিছুতেই বাড়তি নজর দিন। কাঠফাটা রোদ। ভ্যাপসা গরম। মাঝে সাঝে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে নামে বৃষ্টি। শীতল হয় প্রকৃতি। আবহাওয়ার এ খেয়ালিপনায় বড়দের তো বটেই, শিশুরও নাজেহাল অবস্থা।
ঘর থেকে বের হলেই মাথা চক্কর দিয়ে উঠে, মাথার উপর কড়া রোদ। জুনের এই অসহনীয় রোদের সাথে লোডশেডিং যোগ হয়ে বিপর্যস্ত অবস্থা মানুষের। মুহূর্তেই ঘামে ভিজে যাচ্ছে পরনের কাপড়। কড়া এই রোদে কিছুক্ষণ হাঁটলে এবং পানি পান করতে না পারলে যেকোনো সময় বিপদ ঘটে যেতে পারে,
পাবনা প্রতিনিধি:বিদ্যুতের শিডিউল বিপর্যয়ে রয়েছে পাবনা। পাঁচ-ছয়বার পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পাবনার গ্রাহকরা। এক ঘণ্টার স্থলে লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। গ্রাহকদের অভিযোগ, মানা হচ্ছে না শিডিউল, লোডশেডিংয়ের সময়সূচি জানাতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।