আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা ও অকল্যাণ থেকে মুক্তির বিভিন্ন দোয়া বর্ণিত হয়েছে কোরআন ও হাদিসে। আল্লাহর কাছে ভালো কিছু প্রার্থনা ও মন্দ কিছু থেকে মুক্তি চেয়ে কোরআনে একটি দোয়া বর্ণিত হয়েছে। মহানবী (সা.) কাবার সামনে আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।
মহানবী (সা.
ভালোবাসা মানুষের সহজাত অনুভূতি। মানুষ কোনো কিছুকে ভালোবাসে স্বভাবত, কখনো প্রয়োজনবশত, কখনো উপকার পাওয়ার কারণে।
দৈনন্দিন জীবনে মানুষ অনেক কথাই বলে। তবে অনেকে কথাবার্তায় সতর্ক নয়, বরং তারা এমন সব কথা বলে ফেলে, যা বলা অনুচিত।
মহানবী (সা.)-এর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সীমাহীন ব্যথার ভারে মুহ্যমান হয়ে যান।
তৎকালীন আরবে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুদের দুধ মায়ের কাছে রেখে লালন-পালনের প্রচলন ছিল। উদ্দেশ্য ছিল, শিশুরা যেন গ্রামের সবুজ-শ্যামল পরিবেশে, স্নিগ্ধ হাওয়া ও দূষণমুক্ত পরিবেশে সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে।
উবাদাহ ইবনু সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন সাহাবির উপস্থিতিতে বলেন— তোমরা আমার কাছে এই মর্মে বায়াত গ্রহণ কর যে, আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছুকে অংশীদার সাব্যস্ত করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করবে না এবং সৎকাজে নাফরমানী করবে না।
মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ শুধু একটি আমল নয়, এটি আল্লাহর দরবারে বরকতের দ্বার উন্মোচন ও দোয়া কবুলের অনন্য মাধ্যম। হৃদয়ের গভীর থেকে নবীর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ জীবনে শান্তি, করুণা ও মর্যাদা বয়ে আনে।
একজন ব্যক্তির কী পরিমাণ পানি পান করা উচিত তা বিভিন্ন ফ্যাক্টরের জন্য ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। সাধারণভাবে বলা যায়, পূর্ণবয়স্ক নারী-পুরুষের প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার পুরো জীবন ইসলামের পথে ব্যয় করেছেন। আরব অঞ্চলে বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে তার স্মৃতি জরিয়ে আছে। মহানবী (সা.) এর স্মৃতিবিজরিত সাতটি স্থানের তালিকা
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অর্থনৈতিক জীবন নিয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই এ প্রশ্ন এসে যায় যে তাঁর পারিবারিক মিরাস কী ছিল?