বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে জাতিসঙ্ঘকে একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ প্রস্তুত করার অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বুধবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু লাউঞ্জে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠককালে তিনি এ অনুরোধ করেন।
- ৫ জেলার জন্য সতর্কবার্তা, কালবৈশাখীর শঙ্কা
- * * * *
- নৌ-অবরোধের সময় ৩৮টি জাহাজ ফিরিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী: সেন্টকম
- * * * *
- পুতিন ও জেলেনস্কির সঙ্গে কী আলোচনা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- * * * *
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
- লাহোরকে বিদায় করে প্লে-অফে হায়দরাবাদ, পিএসএলে সেরা চারে উঠল যারা
- * * * *
মোমেন
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসঙ্ঘকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত হওয়া রোহিঙ্গাদের সম্মানের সাথে নিজেদের জন্মভূমিতে ফিরে যেতে জাতিসঙ্ঘকে সহায়তা করার দাবি জানানো হয়।
লাউঞ্জ উদ্বোধনকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, লাউঞ্জটিতে বিভিন্ন বই, ছবি, প্রামাণ্য চিত্র ও গ্রাফিক্যাল ডিসপ্লের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। বহুপাক্ষিকতাবাদ, বিশেষ করে জাতিসংঘের প্রতি জাতির পিতার যে গভীর আস্থা ও বিশ্বাস ছিল, বঙ্গবন্ধু লাউঞ্জের এই সংগ্রহ যেন তা-ই ফুটিয়ে তুলেছে। তিনি লাউঞ্জটিতে জাতির পিতার ওপর আরও বই ও প্রদর্শনী সামগ্রী দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুল মান্নানের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। সিলেটের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সোমবার (১৪ জুন) নিজের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন তিনি।ফেসবুকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেন, 'মান্নান আমার বন্ধু, মান্নানের সাথে আমার সম্পর্ক ৫০ বছরের অধিক। আমি এবং মান্নান সুখে দুঃখে সব সময়ই ছিলাম এবং আছি, ভবিষ্যতেও আমৃত্যু থাকব বলেই আশা করি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ফিলিস্তিনে আন্তর্জাতিক আইন লংঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আজ হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল (এইচআরসি)’র প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সেখানে ইসরাইলের অবৈধ ও যুদ্ধভাবাপন্ন কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানান।
‘পাসপোর্টের সাথে পররাষ্ট্রনীতির কোনো সংঘর্ষ নেই। আমরা ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করি না। ফিলিস্তিনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আগের মতো রয়েছে। বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের সমর্থনে কাজ করে যাবে।’
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের একটা বড় অংশকে নিজেদের অভিবাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিতে পারে। ২০২১-২২ সালে অভিবাসন প্রত্যাশী শরণার্থীদের মধ্যে রোহিঙ্গাদের সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে একথা উঠে আসে।
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আন্তর্জাতিক অর্থ সহায়তা পাওয়ার ব্যাপারে আশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, স্বাধীনতার পূর্বে ও পরে বঙ্গবন্ধুর কূটনৈতিক শক্তি ও দূরদর্শীতার যোগ্য উত্তরাধিকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে এবং মিয়ানমারের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সকলকে সহায়তা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি।