জর্ডানের পূর্ব মরুভূমিতে অবস্থিত আল-আজরাক বিমান ঘাঁটিতে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
- লিবিয়ায় বন্দি ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন আজ
- * * * *
- গেন্ডারিয়ায় এলোপাতাড়ি গুলির নেপথ্যে মাদক!
- * * * *
- নৌকা ভ্রমণের নামে চলছে মাদক সেবনের আসর
- * * * *
- গাইবান্ধায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা রনজিত বকশি সূর্য গ্রেপ্তার
- * * * *
- চলতি সপ্তাহেই পে-স্কেলের একাধিক প্রজ্ঞাপন, সঙ্গে থাকবে এসআরও
- * * * *
যুদ্ধ
মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ এখন পারস্য উপসাগর ছাড়িয়ে লোহিতসাগর, কাস্পিয়ান সাগর এবং ইরাক-জর্ডান সীমান্ত পর্যন্ত নতুন নতুন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। এই সংঘাতে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা, ইরাকে যৌথ সামরিক অভিযান এবং ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের তেল স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধের এই আগুন ছড়িয়ে পড়েছে মিশরেও।
ক্যালেন্ডারের পাতায় এখন জুলাই চললেও, বিশ্ব রাজনীতির শিরোনামগুলো যেন সেই এপ্রিলেই পড়ে রয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সংঘাত সাময়িকভাবে থামলেও, যুদ্ধ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। শান্তিচুক্তির তিন সপ্তাহও হয়নি কিন্তু এর মধ্যেই সেটি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া, অবরুদ্ধ অর্থ তহবিল এবং নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতার মধ্যে ভূরাজনৈতিক আধিপত্যের এই খেলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন কেবলই সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করছেন ।
ইসরাইলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামির জানিয়েছেন, যেকোনো ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে তাদের সেনাবাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি-দখলকৃত এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি সেনা কর্মকর্তাদের এই কথা বলেন।
গত পাঁচ মাস ধরে একটি আঞ্চলিক সংঘাত এড়িয়ে চলার আপ্রাণ চেষ্টা করে আসছিল সৌদি আরব। এমনকি যখন ইরানি ড্রোনগুলো তাদের তেল শিল্পে আঘাত হানছিল, তখনও তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খোলা রেখেছিল রিয়াদ। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তারা চারপাশ থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সৌদি আরবকে তিনটি ভিন্ন দিক থেকে শত্রুর মোকাবিলা করতে হচ্ছে— ইরান এবং ইরাক ও ইয়েমেনে থাকা তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো।
ভারতের উত্তর সীমান্তসংলগ্ন দুটি কৌশলগত বিমানঘাঁটিতে অন্তত ১১টি পঞ্চম প্রজন্মের জে-২০ ‘মাইটি ড্রাগন’ স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীন।
ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ও অর্থনৈতিক—উভয় দিক থেকেই উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান থমাস ম্যাসি। তার দাবি, ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের কারণে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, অর্থনীতি এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ম্যাসি লেখেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে।
সম্প্রতিককালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবার শুরু হওয়া সংঘর্ষে নিহত চার মার্কিন সেনার নাম পেন্টাগনের সরকারি ‘ইরান যুদ্ধ’ হতাহত তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য আলাদা একটি নতুন বিভাগ তৈরি করা হয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় থাকা ইসরায়েলি তিন ভাই-বোনকে সুরক্ষা দেওয়ার পথ খুলে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির প্রশাসনিক পর্যালোচনা ট্রাইব্যুনাল (এআরটি) রায় দিয়েছে, বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা প্রত্যাখ্যান করায় ইসরায়েলে ফিরে গেলে তারা কারাদণ্ড ও রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যেই পেন্টাগন তাদের ক্যাজুয়ালটি ডেটাবেসে (ডিসিএএস) চুপিসারে ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ নামে নতুন একটি বিভাগ যুক্ত করে হতাহতের এই হিসাবে পরিবর্তন এনেছে। গত ৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই নতুন হিসাবকে মূলত মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন এড়ানোর কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কারণ, কাকতালীয়ভাবে ঠিক ওই দিনটিতেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে চিঠি দিয়ে ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরুর দাবি করেছিলেন।