চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) বাংলাদেশ ৯৩৭ কোটি ৬১ লাখ মার্কিন ডলারের সমমূল্যের পণ্য বিদেশে রপ্তানি করেছে যা পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯.১২ শতাংশ বেশি।
রপ্তানি আয়
২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ বিলিয়ন ডলার, আর সেবা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার।
বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) রপ্তানি খাতে ৪ হাজার ৫৬৭ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। এ সময়ে বরাবরের মত পোশাক থেকে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় এসেছে।
রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম এক টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে রপ্তানিকারকরা প্রতি ডলারের বিপরীতে পাবেন ১০৫ টাকা। এতদিন রপ্তানিকারকরা পেতেন ১০৪ টাকা।
রপ্তানিকারকদের জন্য এবিবি ও বাফেদা ডলারের দাম আরেক দফা বাড়িয়েছে। এখন থেকে রপ্তানিকারকেরা প্রতি ডলারের বিপরীতে পাবেন ১০৩ টাকা।
রপ্তানিকারকরা তাদের রপ্তানি আয় ফিরিয়ে আনতে এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১০২ টাকা পাবেন।সোমবার থেকে কার্যকর রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন ডলারের হার ঘোষণা করেছে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফেডা)।
গত সেপ্টেম্বর মাসে ৩৯০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তবে এ সময়ে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক রপ্তানি তুলনামূলক হ্রাস পেয়েছে।
চলতি অর্থবছরের আগস্টে রপ্তানি থেকে বাংলাদেশের আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে ৪৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।