রমজান

রমজানের শেষ মুহূর্তে আমলের মূল্যায়ন

রমজানের শেষ মুহূর্তে আমলের মূল্যায়ন

মুসলমানদের জীবনে রমজান আসে পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে, জীবনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর তাগিদ নিয়ে। রমজান এলো, রমজান গেল, কিন্তু আমাদের প্রাপ্তি কতটুকুু—এ নিয়ে হিসাব-নিকাশ করার সময় হয়েছে। 

শবে কদরের সম্ভাবনা ২৭ রমজানেই বেশি

শবে কদরের সম্ভাবনা ২৭ রমজানেই বেশি

‘লাইলাতুল কদর’ বা ‘শবে কদর হচ্ছে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও মহিমান্বিত রাত। এই পবিত্র রাতে গুরুত্বের সঙ্গে নামাজ-দোয়া ও জিকির-আজকারসহ প্রত্যেকটি নেক আমলের সীমাহীন ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। 

রমজানের শেষ দশকে মহানবী (সা.)-এর আমল

রমজানের শেষ দশকে মহানবী (সা.)-এর আমল

পরম করুণাময় আল্লাহতায়ালা অসীম দয়ালু, অতুলনীয় ক্ষমাশীল। তাঁর দয়া ও করুণা প্রতি মুহূর্ত, অনবরত বর্ষণ হতে থাকে। তদুপরি আল্লাহতায়ালা বান্দাদের প্রতি অনুগ্রহ করে তিনি রহমতের বিশেষ বিশেষ অফার ঘোষণা করেন।

পবিত্র শবে কদরের সন্ধানে নামতে হবে আজ সন্ধ্যা থেকেই

পবিত্র শবে কদরের সন্ধানে নামতে হবে আজ সন্ধ্যা থেকেই

দেখতে দেখতে সিয়াম সাধনার ২০টি দিন চলে গেল। পবিত্র রমজানের বিদায়ের ক্ষণগণনা শুরু হচ্ছে আজ সন্ধ্যা থেকেই। রমজানের শেষ দশকের প্রথম রাতটি আজ। কুরআন নাজিলের মাস রমজান, আর কুরআন নাজিলের রাত ‘শবেকদর’। 

সংযমী হতে শিক্ষা দেয় রমজান

সংযমী হতে শিক্ষা দেয় রমজান

সংযম মানে বিরত থাকা, সংবরণ করা। সব ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড, অন্যায়, অবিচার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি সব ধরনের বদ অভ্যাস থেকে নিবৃত্ত থাকার নামই হলো সংযম।

বদর যুদ্ধ ও রমজান

বদর যুদ্ধ ও রমজান

আল-ফুরকান যা আল-কুরআনের অপর নাম। যার অর্থ হলো- সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী। নাজিল হয়েছিল রমজানের এক মহিমান্বিত রজনীতে, নাম তার লাইলাতুল কদর। আল্লাহ তায়ালা বলেন- ‘রমজান তো সেই মাস, যে মাসে কুরআন নাজিল করা হয়েছে, যা মানবজাতির জন্য পুরোপুরি হিদায়াত এবং এমন দ্ব্যর্থহীন শিক্ষাসংবলিত, যা সত্য-সঠিক পথ দেখায় এবং হক-বাতিলের পার্থক্য সুস্পষ্ট করে দেয়।’ (সূরা বাকারাহ-১৮৫)

রমজান মাসে দোয়া কবুলের তিন সময়

রমজান মাসে দোয়া কবুলের তিন সময়

মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি দয়াশীল। রমজানে এই দয়ার পরিমাণ আরো বেশি বৃদ্ধি পায়। তিনি প্রতিটি আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করেন, বান্দার দোয়া কবুল করেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। বিশেষত রমজানের এসব কল্যাণ লাভে বিশেষ তিনটি সময়ের কথা হাদিসে এসেছে।