রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে এবং এর কার্যকর সমাধানের জন্য আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফল করতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডিকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রোহিঙ্গা সংকট
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য জাতিসংঘের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন ও বাংলাদেশকে এই সমস্যার জন্য তহবিল নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন।
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর)।
দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত রোহিঙ্গা সংকটকে একটি তাজা টাইম বোমা হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের বিষয়টি ফের জাতিসংঘে উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদ আয়োজিত এক উন্মুক্ত বৈঠকে এ বিষয়টি জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কাছে বাংলাদেশ ঋণ চাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জরুরিভাবে কাজ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
জনগণ এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে বিশ্বশান্তির জন্য দৃশ্যমান হুমকিসমূহ মোকাবেলা এবং রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের মতো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের সুরক্ষায় সংহতি ও ঐক্য প্রদর্শনের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল মুহিত।
বাংলাদেশে চলমান রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য আরো ৪.৫ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড দিবে। ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য ২০১৭ সালের আগস্টে সঙ্কট শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৪৫ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় এবং বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।