বিশ্বব্যাপি মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আনলাইনে ক্লাস নিলেও প্রত্যান্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে ক্লাস থেকে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ১ বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা। বেশ কয়েক দফায় বাড়ানো হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির মেয়াদ। ফের আরও একদফা বাড়তে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। মহামারি মোকাবিলায় চলমান লকডাউন তথা বিধিনিষেধের সময়সীমা বৃদ্ধির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া নিশ্চিত করার পরই ক্যাম্পাস খুলতে চায় সরকার। তাড়াতাড়ি টিকা দেয়া সম্ভব হলে তাড়াতাড়িই এসব প্রতিষ্ঠান খোলা হবে। সোমবার (১৭ মে) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এমনটাই জানিয়েছেন।
করোনা মহামরির কারণে বন্ধ থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। শনিবার (১৫ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার চলমান লকডাউন (বিধিনিষেধ) আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পূর্বঘোষিত ২৩ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
দেশের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ২৩শে মে থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।
করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার থাকলেও তা আর হচ্ছে না।
পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ মার্চ দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক (এনটিআরসিএ) নিবন্ধনধারীদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট
আগামী ৩০ মার্চ থেকে শিক্ষপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার এ সিদ্ধান্ত সরকারের। করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।