নতুন দিনের আলোর মতো মানুষের কথা বলার নতুন প্রত্যয় নিয়ে সংবাদপত্রের জগতে যাত্রা শুরু করলো দৈনিক নতুন সকালের বার্তা।
সকালে
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেরই পানি পানের অভ্যাস রয়েছে। কেউ কেউ আবার খালি পেটে গরম পানি পান করেন। ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগে কোনো খাবার খাওয়া উচিত না বলে মত চিকিৎসকদের।
শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি আর জ্বরের প্রকোপ। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে কেবল গরম কাপড় পরলেই হবে না, বরং ভেতর থেকে শরীরকে উষ্ণ ও রোগমুক্ত রাখা জরুরি। বিশেষ করে সকালের খাবারে যদি সঠিক পুষ্টি থাকে, তবে তা সারা দিনের কাজের শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে।
সকালের নাস্তা না খাওয়া অনেকের কাছেই এখন একটি সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ব্যস্ততা, ওজন কমানোর চেষ্টা কিংবা অনীহার কারণে অনেকেই দিনের প্রথম খাবারটি এড়িয়ে যান।
সকালের নাস্তা না খাওয়া অনেকের কাছেই অনেকের কাছে একটি সাধারণ অভ্যাস হয়ে গেছে। গবেষণা ও পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের প্রথম খাবার বাদ দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। শরীরে শক্তির জোগান, হরমোনের ভারসাম্য, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, মেটাবলিজম এ সবই ব্রেকফাস্টের ওপর নির্ভর করে। তাই নিয়মিত ব্রেকফাস্ট না খেলে যে ক্ষতিগুলি ঘটে, তা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কমবেশি সবার প্রিয় খাবার ডিম। নিত্যদিনের সঙ্গী ডিম। কেউ হাঁসের ডিম পছন্দ করেন, আবার কেউ মুরগির ডিম।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর হালকা গরম পানি পান করা স্বাস্থ্য রক্ষার একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত কার্যকর অভ্যাস।
পেয়ারা শুধু মিষ্টি স্বাদের জন্য নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও এক অমূল্য উপহার। চিয়া সিড বা অ্যাভোকাডোর মতো সুপারফুডের মাঝে অনেকেই পেয়ারাকে অবহেলায় ফেলে দেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে খালি পেটে পেয়ারা খাওয়া শরীরের জন্য দারুণ উপকারী।
রাতে লম্বা সময় না খেয়ে থাকার কারণে সকালে ক্ষুধা লাগে। ঘুমের পর শরীরের শক্তিও কমে যায়। তাই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া উচিত সকালেই।
সকালে ঘুম থেকে ওঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানির উষ্ণতা শরীরের ব্যথা স্থানে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। ফলে সেখানে ব্যথা কমাতে এবং সেই স্থান ঠিক হতে সাহায্য করে। এছাড়া, হাড়ের গাঁটে ব্যথা কমাতেও গরম পানি ব্যবহার হয়।