চলতি বছরের হজ নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে আজ (১২ অক্টোবর) রোববার। তবে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় কোটার একটি বড় অংশ খালি থেকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হজ নিবন্ধনের
ধর্ম মন্ত্রণালয় হজে গমনেচ্ছুদের জন্য সুখবর দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মামুন আল মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও সাত দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে নিবন্ধন চলবে আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত।
তিন দফা সময় বাড়ানোর পর আরেক দফায় শেষবারের মতো বাড়ানো হয়েছে হজ নিবন্ধনের সময়। হজ গমনেচ্ছুরা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাক নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
হজ নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এ সময়ের মধ্যে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা সৌদি সরকারকে জানিয়ে বাংলাদেশের বাকি কোটা ফেরত দেওয়া হবে। তবে সৌদি আরবের দেওয়া কোটার অর্ধেকও পূরণ হয়নি এখনো।
চলতি মৌসুমে সরকারি-বেসরকারি হজ নিবন্ধনের সময় আরও ৮ দিন বৃদ্ধি হয়েছে। আজ ২৫ জানুয়ারি থেকে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন হজযাত্রীরা।
চলতি বছর হজে যেতে ইচ্ছুক কিন্তু এখনো চূড়ান্ত নিবন্ধন করেননি, তাদের জন্য বিশেষ দিন আজ। ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এক দিনের জন্য হজ নিবন্ধনের সার্ভার খুলে দেয়া হবে। চলতি বছর এটিই শেষ সুযোগ বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আরেক দফা বাড়িয়ে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। কোটা পূরণ না হওয়ায় অষ্টমবারের মতো বাড়ল হজের নিবন্ধনের সময়।
এ বছর হজের নিবন্ধনের সময় সাত দফা বাড়ানো হয়। এরপরও বাংলাদেশ থেকে হজ পালনে হজযাত্রীর কোটা পূরণ হয়নি। সর্বশেষ বাড়ানো হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বুধবার শেষ হয়েছে। তবে কোটা পূরণে ৮ হাজার ২৪৪ জনের নিবন্ধন বাকি রয়েছে।
সরকারি ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়েছে সরকার। নিবন্ধনের সময় ২১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে সময় চতুর্থবারের মতো বাড়ানো হলো।
চলতি বছরে সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আগামী ২২ মে (রোববার) পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।বুধবার (১৮ মে) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।