১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আবার উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় ঢাকার ধানমণ্ডিতে একত্রিত হয়ে শ্রদ্ধা জানাতে চায় আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে দলটি যেন কোনো কর্মসূচি পালন করতে না পারে, সেজন্য মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।
১৫ আগস্টে
১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘটিয়েছিল জিয়াউর রহমান আর বেগম খালেদা জিয়ার জ্ঞাতসারে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ঘটিয়েছিল তারেক রহমান এবং আজকে বিএনপি মানুষ পোড়ানোর রাজনীতি করে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের মূল টার্গেট। তবে তার বড় ছেলে শেখ কামাল ১৯৭৫ সালে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রথম শহীদ হন।
বনানীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্য ও ১৫ আগস্টের শহীদদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ১৫ আগস্টের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যারা দেশের উন্নয়ন চায় না তারা অলস হয়ে বসে থাকবে না।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক ঘটনা শুধু হত্যাকান্ড নয়, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তার ছবি ছাড়া ব্যানার ও পোস্টারে অন্য কোনো ছবি ব্যবহার করা যাবে না। যাদের এলইডি বোর্ড রয়েছে তারা ১৫ আগস্টের কর্মসূচি এলইডি বোর্ডের মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দফতর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।