ইসলামী আইন ও বিধি-বিধানের মূল লক্ষ্য মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিশ্চিত করা। একেই এককথায় বলা হয় মাকাসিদে শরিয়াহ।
- আইএমএফ’র সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি বাংলাদেশের
- * * * *
- ঈদের আগে পোশাক খাতের ৯৯ শতাংশ কারখানার বেতন-বোনাস পরিশোধ
- * * * *
- এটিএম বুথে টাকার সংকট: দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তি
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্রের দরজা বন্ধ, মেক্সিকোর উদারতায় ইরানের স্বস্তি
- * * * *
- হোয়াটসঅ্যাপে আসছে বড় পরিবর্তন, এক নজরেই দেখা যাবে কে কখন অনলাইন
- * * * *
আখিরাত
সুরা ইয়াসিন পবিত্র কোরআনে কারিমের ৩৬তম সুরা। এই সুরাটি তিলাওয়াত করলে দুনিয়া ও আখিরাতে চারটি বিশেষ লাভের কথা হাদিস শরিফে উল্লেখ আছে।
মুমিন সব সময় দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ লাভে সচেষ্ট থাকবে। তাই রাসুল (সা.) সব সময় কল্যাণ লাভের দোয়া করতে বলেছেন।
ইসলামে জেনা-ব্যভিচার কবিরা গুনাহ। এ ধরনের অপকর্মের অপরাধীরা যেমন আখিরাতের জীবনে কঠিন সাজার সম্মুখীন হবে তেমন দুনিয়ার জীবনেও তাদের কঠোরতম শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
দুনিয়ার জিন্দেগি শুধু ভোগ-বিলাসের জন্য নয়। এর প্রতিটি সময় আল্লাহর নির্দেশিত পথে ব্যয় করাই মুমিনের কাজ। মুমিনের কাছে আখিরাতের চেয়ে দুনিয়া অতি নগণ্য।
মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ: মৃত্যু সবার জন্য অনিবার্য সত্য। কোনো ভাবেই মৃত্যুকে অস্বীকার করার বা পালিয়ে থাকার সুযোগ নেই। তাই মৃত্যু যেমন অমোঘ-অপরিবর্তনীয়— পরকালও তেমন সন্দেহাতীত।
মানুষ দুনিয়ায় সফল হওয়ার জন্য কত কষ্ট সহ্য করে! কেউ কেউ সফল হয়। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ হতাশ হয়। একটু সুখের আশায় মরীচিকার পেছনে ছুটতে ছুটতে মানুষ নিজেদের জীবন জাহান্নামে পরিণত করে। অথচ প্রকৃত সফলতা আখিরাতের সফলতা। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আর অবশ্যই যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তাদের জন্য আখিরাতের আবাস উত্তম। তবু কি তোমরা বুঝো না?’ (সুরা ইউসুফ, আয়াত : ১০৯)