বাংলাদেশ ও ভারত একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে আলোচনা জোরদার করেছে ঢাকা-দিল্লি। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক একীকরণ গভীর করার উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রস্তাবিত চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পরও ভারতের বাজারে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।
ঢাকা-দিল্লি
১৯৯৬ সালে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সই হওয়া ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালে সই হওয়া ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দু’দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে।সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই বৈঠক শুরু হয়।
মিয়ানমারে নতুনভাবে তৈরি হওয়া অস্থিরতা এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।
ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
বাংলাদেশ ও ভারত বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার স্তর নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের জনগণের সুবিধার জন্য একটি ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (সিইপিএ) জন্য আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশ শিগগিরই ছয়টি রেল সংযোগের মাধ্যমে এবং ভারত ও নেপাল দুটি রেল সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত হবে।
ঢাকা-দিল্লি রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে দেশে আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থেকে যাত্রা শুরু করবে ভারতের ভিস্তারা এয়ারলাইন্স।