ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ অধিকতর শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আইনটি সংশোধনপূর্বক ‘ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ শিরোনামে চলতি বছরের ১০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে পাস এবং অবিলম্বে কার্যকর করে জারী করা হয়েছে।
তামাক
‘তামাক পণ্য বর্জন করি, তামাক মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ি’- স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ধূমপান ও তামাকবিরোধী আলোচনা সভা করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এন্টি টোব্যাকো ক্লাব।
তামাকজাত পণ্য আমদানিতে ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্কারোপের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষার লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন।
তামাক ও নিকোটিনের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোরসহ দেশের সামগ্রিক ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখতে বর্তমান সরকার দৃঢ়ভাবে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, এমপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স- আত্মা’র প্রতিনিধি দল। এসময় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাশের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাকমুক্ত প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় মন্ত্রীর হাতে ধন্যবাদপত্র তুলে দেয় সংগঠন দুটি।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ওপর ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করে সেই অর্থে মাসিক ভাতা বৃদ্ধিসহ সাত দফা সুপারিশ পেশ করেছে প্রতিবন্ধী নারী নেতৃত্বে পরিচালিত সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্য চেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস (বি-স্ক্যান)।
তামাক পণ্যের করকাঠামো সংস্কারে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, একইসঙ্গে অকাল মৃত্যু কমবে বলে এনবিআর-আত্মার প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনায় অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-আত্মার পক্ষ থেকে এ সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকার ময়লার ভাগারে দেশী-বিদেশী সিগারেট, বিড়ি ও জর্দা ধ্বংস করা হয়।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের মূল্যস্তর সংখ্যা কমানো, সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতির প্রচলন এবং সব ধরনের তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তামাকবিরোধীদের বাজেট প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী তামাক ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে, অকাল মৃত্যু কমবে এবং রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে।