ব্যস্ততার কারণে অনেকেই রান্নার ঝামেলা এড়িয়ে বিস্কুট, চিপস, মিষ্টি কিংবা ফাস্টফুডের দিকে ঝুঁকে পড়েন। অথচ হাতের কাছে থাকা কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়েই অল্প সময়ে তৈরি করা যায় স্বাস্থ্যকর খাবার।
পুষ্টিকর
স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তুলতে প্রতিদিনের দুপুরের খাবারে একটি সুষম ও পুষ্টিকর সালাদ রাখা অত্যন্ত কার্যকর একটি অভ্যাস হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
রোজার ইফতারে শরীরকে সতেজ রাখা এবং একই সঙ্গে মনকে আনন্দিত করার জন্য কিছুটা ভিন্ন স্বাদের শরবত দারুণ সমাধান হতে পারে।
শসা-লেবুর শরবত হতে পারে সেই সহজ ও স্বাস্থ্যকর সমাধান। শসার প্রাকৃতিক জলীয় অংশ আর লেবুর ভিটামিন সি মিলে এই পানীয় শুধু তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং ক্লান্ত শরীরে ফিরিয়ে আনে সতেজ অনুভূতি।
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে এমন কিছু প্রয়োজন, যা একদিকে দ্রুত শক্তি জোগাবে, অন্যদিকে পেটের জন্য হবে হালকা ও আরামদায়ক।
স্বাদে ভিন্নতা, পুষ্টিগুণে ভরপুর আর রান্নাতেও সহজ। একবার খেলে এর স্বাদ সহজে ভুলতে পারবেন না। রইলো রেসিপি-
স্বাদ এবং স্বাস্থ্যগুণে মাছ, গোশতকে পাল্লা দিতে পারে একমাত্র ডিম। শরীরের খেয়াল রাখতে ডিমের জুড়ি মেলা ভার। ত্বকের যত্নেও ডিম অনবদ্য।
শীতের সময়টা যেন অনেক প্রতীক্ষিত সবার কাছেই। তারপরও শীতের আগমন মানেই একটু বাড়তি যত্ন, বাড়তি চিন্তা।
পেয়ারা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এখন সারা বছরই পেয়ারা পাওয়া যায়। পেয়ারা ভিটামিন এ, বি, কে, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস-সহ বহু গুণে সমৃদ্ধ। এই ফল বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী।
আমরা অনেকেই শখের বসে বাসায় অ্যাকুরিয়ামে মাছ লালন-পালন করে থাকি। মাছের যত্নে খরচ করি অনেক টাকা। তবে শীতকাল এলেই অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মাছ মরে যাচ্ছে বা প্রজনন বন্ধ করে দিচ্ছে।