পুণ্যের বসন্ত মাস মাহে রমজান। এ মহিমান্বিত মাস রমজান আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। রমজান বিদায় নেওয়ার পর সংযম ও সাধনার জীবন পরিহার করছে বহু মানুষ, ফিরে গেছে আগের গুনাহমাখা জীবনের দিকে। অথচ মাহে রমজানের দাবি হলো, পাপমুক্ত যে জীবনের অনুশীলন মুমিনরা রমজানে করেছিল, তা রমজানের পরও অব্যাহত থাকবে এবং আল্লাহমুখী, ইবাদতমুখর যে সময় সে কাটিয়েছিল, তাতে কোনো ধরনের পরিবর্তন আসবে না।
- বাহ্যিক সাজসজ্জা মানুষের মর্যাদার মানদণ্ড নয়
- * * * *
- মরক্কোর সঙ্গে ড্র : ৮৮ বছরের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখল ব্রাজিল
- * * * *
- মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি আহত
- * * * *
- বিলাসপুরে কলাবাগানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, বোমা তৈরির আলামত উদ্ধার
- * * * *
- আলি খামেনির শেষ বিদায়-দাফনের সময়সূচি ঘোষণা
- * * * *
বসন্ত
একটি চীনা বিশ্ববিদ্যালয় বসন্তের ছুটিতে শিক্ষার্থীদের প্রেমে করার আহ্বান জানিয়েছে। এ আহ্বান ভালো ফলাফলের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগী একটি দেশে বেশ অস্বাভাবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফাল্গুনের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে ‘আগুনরাঙা ফাগুনে আবারও উচ্চারিত হোক গণতন্ত্রের শপথ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে ‘গণতন্ত্রের বসন্ত’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলাভবনের বটতলায় আজ (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সমগীত বসন্ত উৎসব ২০২৬’।
চীনের চন্দ্র নববর্ষ উদযাপন এবং বসন্ত উৎসব উপলক্ষে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বার্ষিক বাড়ি অভিমুখি যাত্রা, যা স্থানীয়ভাবে চুনইউন (বসন্ত উৎসবের ভিড়) নামে পরিচিত।
বসন্তের আগমন মানে শীতের দাপট কমে যাওয়া এবং তাপমাত্রার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি। সকালে চাদর চাপলেও ঘাম দেখা দেয়, দিনের বেলায় বাতাস ও সূর্যের তাপ ত্বককে প্রভাবিত করতে শুরু করে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এক সময় নির্মূল হয়ে যাওয়া প্রাণঘাতী গুটিবসন্ত (স্মলপক্স) আবারও ভবিষ্যতে বৈশ্বিক মহামারির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
দেশব্যাপী মবসন্ত্রাস বন্ধ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী ছাত্রদল।
জলবসন্তে আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রদাহ ও ব্যথা থাকে। অনেক সময় মুখে ও মুখগহ্বরে ক্ষত থাকতে পারে। এ কারণে খাবার হতে হবে সহজপাচ্য, কম মসলা ও লবণযুক্ত।
মানিক হোসেন, ইবি: ‘মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে, মধুর মলয়-সমীরে মধুর মিলন রটাতে’ স্লোগানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাংলা বিভাগের আয়োজনে বসন্ত উৎসব উদযাপিত হয়েছে।