নেতৃত্ব শুধু ক্ষমতা নয়—এটি মানুষের ওপর মানুষের দায়িত্ব। ইতিহাসের পাতায় বহু শাসক ও শাসনব্যবস্থার কথা উল্লেখ থাকলেও আদর্শ নেতৃত্বের সর্বোৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
বিশ্বনবী
বিশ্বনবী (সা.)-এর পরম স্নেহের স্পর্শপ্রাপ্ত সাহাবি আমর ইবনে হুরাইস আল-মাখজুমি (রা.)। তাঁর নাম মূলত আমর।
আজকের সিরিয়া, জর্দান, লেবানন ও পূর্ণ ফিলিস্তিন ভূখণ্ডকে প্রাচীনকালে ‘মুলকে শাম’ বলা হতো। শাম মূলত নবী-রাসুলদের ভূখণ্ড।
বিশ্বনবীর বাজারনীতি তথা ইসলামী অর্থনীতিতে বাজারের ব্যাপারে প্রথম মূলনীতি হলো বাজার হতে হবে স্বাধীন
বিশ্বনবীর জীবনেও এসেছে কখনো শীত কখনো গরম। ঋতুচক্রের এই পরিবর্তন মু’মিনের জন্য রহমত। রাসূল সা: কিভাবে শীত কাটাতেন? শীতকালে কী কী আমল করতেন? চলুন জেনে নিই।
সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর পরে যার সম্মান, মর্যাদা ও স্থান তিনিই হচ্ছেন আমার প্রিয়নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সা:। তিনি জগতবাসীর জন্য রহমত। মানবজাতির পথপ্রদর্শক। শান্তি ও মুক্তির অগ্রদূত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক নিজেই তাঁর প্রশংসা করেছেন। মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে বর্ণিত হয়েছে- ‘আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী।’ ‘আপনার মর্যাদা সুমহান’।
গোটা বিশ্বজগতে আল্লাহতায়ালা যাকে সবচেয়ে উন্নত ও মহান গুণাবলী ও অনন্য বৈশিষ্ট্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তিনি হলেন শ্রেষ্ঠনবী ও বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)।
মাহমুদুল হাসান আরিফ: বিশ্বনবী (সা.)-এর হাদিস থেকে জানা যায়, এক নিকটবর্তী দুর্যোগে আরবজাতি ধ্বংস হবে। জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.) বলেন, একবার নবী (সা.) রক্তবর্ণ চেহারা নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলেন এবং বলতে লাগলেন, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ—আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।’
মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম উপাদান হলো পরিবেশ। মানুষসহ সব প্রাণীর জন্য সুস্থ পরিবেশ আবশ্যক। মানুষের মৌলিক প্রয়োজন অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থান ও চিকিৎসা সবই কোনো না কোনো পরিবেশের ওপর নির্ভর করে।