ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরও পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানানোয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন সরকার ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল আর এন রবি।
- প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক পরিষ্কারের কার্যকরি টিপস
- * * * *
- আপনার শরীর থেকে ফ্যাটি লিভার নির্মূলের কিছু উপায়
- * * * *
- লোক দেখানো ভণ্ডামির চেয়ে ডিভোর্স অনেক ভালো- ইমরান খান
- * * * *
- জনকণ্ঠের দেড় শতাধিক সাংবাদিক-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
- * * * *
- এক লাখ কর্মী পাঠানোর প্রস্তাবে রাশিয়ার সম্মতি
- * * * *
মন্ত্রিসভা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে। অর্থাৎ সশরীর ও অনলাইন- মিশ্র পদ্ধতিতে ক্লাস হবে কি না বা অন্য কোনো ব্যবস্থা হবে কি না তার সিদ্ধান্ত হবে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে। তার আগে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
জ্বালানি সাশ্রয় এবং মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনসহ একগুচ্ছ কৃচ্ছ্রসাধন ও ব্যয় সংকোচনমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সাত সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।
‘জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ পুনর্গঠন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। জাতীয় পুরস্কার প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আসা প্রস্তাব যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ করার জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে কৃষি ঋণ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।
নতুন বাংলাদেশের সংস্কার ও পরিবর্তনের যে জনআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, ঘোষিত নতুন মন্ত্রিসভা তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নবগঠিত মন্ত্রিসভাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা জিয়া পরিষদ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ১৮০ দিনের কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের কথা হয়েছে।