রোজকার জীবনে হরেকরকম ব্যথার সম্মুখীন হই আমরা। পা মচকানো, পেশিতে টান, হঠাৎ আঘাত, পিরিয়ডের ব্যথা বা অস্ত্রোপচার পরবর্তী অস্বস্তি-ব্যথার সম্মুখীন হতে হয় কম-বেশি। ব্যথা হলেই চটজলদি মুক্তি পেতে পেইনকিলারে ভরসা রাখেন অনেকে।
সেঁক
ডিসেম্বরের শেষ দিকে জাঁকিয়ে শীত পড়ে এ কথা সবার জানা। কিন্তু এ বছরের শীত যে এতটা ভোগাবে তা হয়তো আন্দাজই করতে পারেননি শহরবাসী। ঠান্ডার চোটে হাড়ে কাঁপন ধরার উপক্রম হয়েছে। সেসঙ্গে বেড়েছে ব্যথাও।
শরীরের কোনো জয়েন্টে ব্যথা পেলে কিংবা আঘাত লাগলে চিকিৎসক সেঁক দেওয়ার কথা বলেন। কিছু ক্ষেত্রে গরম সেঁক দিতে হয়, কিছু ক্ষেত্রে ঠান্ডা। কিন্তু কখন কোনটি ব্যবহার করা উচিত তা অনেকেই বুঝতে পারেন না।
ব্যথা উপশমে সেঁক খুব উপকারী। কিন্তু জানা জরুরি, কোন সেঁক কখন দিতে হবে।
শরীরের বিভিন্ন জায়গার ব্যথায় সেঁক দেওয়ার পদ্ধতি বহু পুরাতন, বিজ্ঞানসম্মত এবং গবেষণায় পরীক্ষিত একটি পদ্ধতি। সেঁক দেওয়া সাধারণত দুই ধরনের হয়। যথাঃ গরম সেঁক এবং ঠান্ডা সেঁক। কিন্তু কখন গরম সেঁক বা ঠান্ডা সেঁক দিতে হবে, তা নিয়ে