গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে হামাসকে সুযোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যদি ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি চুক্তি ভঙ্গ করে, তবে তাদের 'সম্পূর্ণ নির্মূল' করা হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তিনি।
- গলাচিপায় রাস্তায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু
- * * * *
- তেল নিয়ে পাম্প কর্মীদের সাথে বাইকারদের হাতাহাতি
- * * * *
- মিঠাপুকুরে বজ্রপাতে দুই জেলের মৃত্যু
- * * * *
- হরমুজের থেকেও বড় বাধা অন্তর্বর্তী সরকারের মার্কিন চুক্তি: দেবপ্রিয়
- * * * *
- রাজশাহীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু
- * * * *
হামাসক
বছরের পর বছর ধরে ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবে একটি একক লাইন পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে : ‘হামাসকে নিরস্ত্র করতে হবে, গ্রুপটিকে ভেঙে ফেলতে হবে এবং তাদের গাজা ছেড়ে যেতে হবে।’ এই দাবিটি যেকোনো টেকসই শান্তির জন্য একটি অ-আলোচনাযোগ্য পূর্বশর্ত। তবুও, যাঁরা ইতিহাসের বই পড়েছেন অথবা যাঁরা প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, তাঁদের কাছে এটি প্রায় হাস্যকরভাবে নির্বোধ শোনাচ্ছে। যুক্তিটি যতটা ভঙ্গুর ততটাই পরিচিত : ‘যদি হামাস তার অস্ত্র ত্যাগ করে, শান্তি অবশ্যই আসবে।
ফিলিস্তিনের গাজায় বন্দি ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে হামাসকে ‘শেষ সতর্কবার্তা’ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন জানালেন, যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন নেতানিয়াহু। হামাসকেও তা মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে নির্মূলের লক্ষে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের শহর রাফায় হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। তবে এ হামলা চালিয়ে ইসরায়েল কখনোই হামাসকে হারাতে পারবে না বলে মনে করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির জন্য গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিন প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে বড় শর্ত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জিততে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র এখন আরও বেশি শক্তিশালী।
বিদ্যুৎ, খাবার, পানি ও জ্বালানি সরবরাহে অবরোধ তুলে নিতে হামাসের হাতে বন্দী সব ইসরাইলির মুক্তির দাবি তেল আবিবের।